প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা না হলে হরতাল-অবরোধের হুশিয়ারি

এফএনএস (মমিনুল ইসলাম রিপন; রংপুর) :
| আপডেট: ৯ মে, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম | প্রকাশ: ৯ মে, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা না হলে হরতাল-অবরোধের হুশিয়ারি

জনমতকে উপেক্ষা করে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা না হলে রংপুরে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচী পালনের হুশিয়ারী দিয়েছে মহানগর নাগরিক কমিটি। শনিবার (৯ মে) সকালে রংপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে গণঅবস্থান কর্মসূচীতে এ হুশিয়ারী দেয়া হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোজাহার আলীর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগসহ অন্যরা। কর্মসূচীতে নেসকো কর্তৃপক্ষকে লাল কার্ড প্রদর্শনসহ গানে গানে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনে গ্রাহক ভোগান্তি ও হয়রানি তুলে ধরা হয়।  

অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রবল আপত্তি স্বত্ত্বেও বিদ্যুৎ বিভাগ সারাদেশে বাসা বাড়ি, অফিস-আদালত ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে জবরদস্তিমূলকভাবে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করে চলেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎখাতে চুরি, অপচয় রোধ, ওভারলোড ও বকেয়া বিল ঠেকাতে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বললেও প্রকৃত পক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যর্থতার দায়ভার গ্রাহকের কাঁধে চাপিয়ে দিতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ আইনের ৫৬ ধারা মোতাবেক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হলে কোম্পানীকে ১৫ দিন পূর্বে নোটিশ দিতে হবে। কিন্তু প্রি-পেইড মিটার পদ্ধতিতে কার্ডে রিচার্জকৃত টাকা শেষ হওয়ার সাথে সাথে তা বিছিন্ন হয়ে যায়, যা আইনের পরীপন্থী। বর্তমানে উচ্চ আদালতে গ্রাহক শোষণ ও হয়রানিমূলক প্রি- পেইড মিটার স্থাপন বন্ধে একটি রিট পিটিশন বিচারাধীন রয়েছে। কিন্তু সেই রিট নিস্পত্তির আগেই হয়রানি মূলকভাবে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বক্তারা আরও বলেন, সারাদেশে সকল মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার আওতায় নিয়ে আসা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিতর্কিত প্রি-পেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম স্থগিত করে বিষয়টি পূর্নবিবেচনা এবং গ্রাহকদের মতামত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হোক। অবিলম্বে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা না হলে হরতাল-অবরোধসহ কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচী পালন করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে