কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পণ্য পাচার রোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) কর্তৃক নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় অবৈধ পণ্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি।
সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৭০০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার রংমহল মাঠ নামক স্থানে একটি চৌকষ টহল দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ আলো হোসেন (১৯), পিতা-মৃত ওমর আলী, মাতা-মোছাঃ-আলতাফুন, গ্রাম-লক্ষ্ণীধোলা, পোস্ট-নওপাড়া, থানা-গাংনী, জেলা-মেহেরপুরকে ১৮ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৫,৪০০/- (পাঁচ হাজার চারশত) টাকা। এছাড়াও কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ কাথুলি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৩৪ এমপি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাথুলি মাঠ নামক স্থানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় চোরাকারবারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য- ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা।
অপরদিকে, ২৪ মে কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাজিপুর ব্রিজ মোড় নামক স্থানে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৫০ বোতল মদ, ১০,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ২৫,০০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ১,০৫,৭৫,০০০/- (এক কোটি পাঁচ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকা। উদ্ধারকৃত পণ্যের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য ১,০৮,৮০,৪০০/- (এক কোটি আট লক্ষ আশি হাজার চারশত) টাকা। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।