নওগাঁর ধামইরহাটে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙ্গে পড়া গাছ জোর করে কেটে নিয়ে গেছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষরা। প্রকাশ্য দিবালোকে অন্যের গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে ধামইরহাট থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সিরাজ উদ্দিন। ইতিপুর্বেও সিরাজ উদ্দিনের জমি জোর করে দখল করার অভিযোগে ৯নং আমলী আদালত নওগাঁয় ২৭/২৬ নং মামলাও দায়ের করেছেন প্রতিপক্ষ কাজী আবুল কালাম আজাদ গং এর বিরুদ্ধে।
ধামইরহাট থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের উত্তর কাশিপুর (দারিকাদিঘী) গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. সিরাজ উদ্দিন ১৯৭৯ সালে কাশিপুর মৌজাস্থ ৫৬৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৬২২ নম্বর হালদাগে নওগাঁ জেলা প্রশাসক কর্তৃক ১ একর ৫০ শতাংশ জমি পত্তন নিয়ে নামজারিসহ অদ্যাবধি ভোগ দখল করছেন। এমতাবস্থায় গত ২৩ মে রাতের ঝড়-বৃষ্টিতে ভুক্তভোগী মো. সিরাজ উদ্দিনের একটি বিশাল আকৃতির কড়ই গাছ ভেঙ্গে পড়ে। ২৪ মে সকালে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত কাজী আব্বাসের ছেলে কাজী আবুল কালাম আজাদ ও তার ছেলে বুলবুল হোসেন করাত দিয়ে গাছটি কাটতে থাকলে সিরাজ উদ্দিন ও তার ছেলে মোসলেম উদ্দিন বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কাজী আবুল কালাম ও তার দুই ছেলে বুলবুল হোসেন এবং আনোয়ার হোসেন গৃহকর্তা সিরাজ উদ্দিন ও তার ছেলেকে মারতে উদ্যত হয়। প্রাণ ভয়ে তারা পালিয়ে গেলে হামলাকারী কাজী আবুল কালাম আজাদ গং প্রায় ৩৫ হাজার টাকা মুল্যে কড়ই গাছটি কেটে অন্যত্র নিয়ে যায়। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কাজী বুলবুল হোসেন বলেন, ‘জমি আমাদের এবং গাছও আমরাই লাগাইছি, তাই আমার বাড়ীর প্রাচিরের উপর ভেঙ্গে পড়া গাছটি লোকজন নিয়ে কেটে ফেলেছি। এ বিষয়ে সিরাজ উদ্দিন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ধামইরহাট থানার ওসি মো. মিন্টু রহমান বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তি পরবর্তী তদন্তকারি কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে, তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।