চাঁদপুরে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম খানের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরপরই শুরু হয় পুলিশের অভিযান। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকে না পেয়ে তার দুই ভাইকে আটক করেছে পুলিশ মঙ্গলবার (৯ জুন,২০২৬) ভোরে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকে বাসায় না পেয়ে তার দুই ভাই রুবেল খান ও সৈয়দ খানকে আশিকাটি ইউনিয়নের চানখার দোকান এলাকার বাসা থেকে আটক করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম খানের একটি মিছিলের আহ্বান সংক্রান্ত ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে মাঠে নামে।
পুলিশ জানায়, সাদ্দাম খানকে আটক করা সম্ভব না হলেও তার দুই ভাই রুবেল খান এবং সৈয়দ খানকে আটক করা হয়। পরে মামলার ভিত্তিতে তাদের আদালতে পাঠানো হয় এবং জামিন না মঞ্জুর হওয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, ওই স্ট্যাটাসের পর হাজীগঞ্জ থেকে একটি হাইস গাড়িতে করে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ছাত্রলীগ কর্মী চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন যমুনা রোড এলাকায় মিছিল করার উদ্দেশ্যে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই গাজী কালাম ওই গাড়িসহ দুইজনকে আটক করেন। পরবর্তীতে পুলিশ এ ঘটনায় মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলায় হাজীগঞ্জের ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান আরিয়ান (আশিক) এবং শাহরাস্তির মোঃ শাহজালাল সানিমকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়। একই মামলায় সাদ্দাম খানের দুই ভাইকেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ জানায়, ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতা-কর্মী চাঁদপুরে মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। তবে পূর্ব তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখনো মামলার পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার দুই ভাইকে গ্রেফতার করায় সর্বোচ্চ নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ যা ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন জন লেখালেখি করছে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে।