জনগুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বরিশালের গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড-বন্দর সড়ক নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের দুইদিন পর বুধবার সকাল থেকে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। জনগনের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে উপজেলা ও পৌর প্রশাসন দ্রুত সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করায় বেজায় খুশি হয়ে ভূক্তভোগিরা। তারা উপজেলা ও পৌর প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গৌরনদী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী বদিউজ্জামান মিন্টু বলেন-জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ যাতায়াত করছেন। গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড ও বন্দরের মধ্যবর্তী এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত গোটা উপজেলাবাসীকে উপজেলা পরিষদ, প্রথম শ্রেনীর পৌরভবন, থানা কমপ্লেক্স, পশু হাসপাতাল, পল্লী বিদ্যুত অফিস, খাদ্য গুদাম, বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা অফিস, সু-বিশাল একাধিক মার্কেটসহ ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়ীক গৌরনদী বন্দর ও দূরদূরান্তে যাতায়াতের জন্য গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডে যেতে হচ্ছে।
তিনি (বদিউজ্জামান মিন্টু) আরও বলেন, সড়কের পল্লী বিদ্যুত অফিসের পাশে ও উপজেলা পরিষদে প্রবেশ সংলগ্ন গেটের সন্নিকটে মিনিস্টর শো-রুমের সামনে অতিসম্প্রতি ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে যায়। পরবর্তীতে ব্যস্ততম এ সড়কের অংশে গর্ত কিংবা খানাখন্দ বাড়তেই থাকে। যেকারণে ওই অংশদিয়ে যানবাহনতো দূরের কথা জনসাধারণের পায়ে হেঁটে চলাচলই দুরহৃ হয়ে ওঠে।
বদিউজ্জামান মিন্টু বলেন, পূর্বে অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মান করা হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি সরতে পারছেনা। যেকারণে সড়কের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির পানি জমে ধীরে ধীরে সড়ক ড্যামেজ হয়ে গর্ত কিংবা যানবাহন চলাচলের কারণে খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে।
বদিউজ্জামান মিন্টু বলেন, যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পরা সড়কের খানাখন্দের অংশে দ্রুতভাবে সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি আলোচনা করা হয়। এসময় তাদের (কর্মকর্তা) জানানো হয় জরুরিভাবে সংস্কার করতে কোনধরনের অসুবিধা হলে তিনি (মিন্টু) ব্যক্তিগতভাবে সংস্কার কাজ করাতে চাচ্ছেন। পরবর্তীতে কর্মকর্তারা তাকে (মিন্টু) দ্রুত সংস্কার কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। সেমতে বুধবার সকাল থেকে সড়কের খানাখন্দের অংশে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়। এজন্য তিনি (বদিউজ্জামান মিন্টু) প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড ও বন্দর সড়কের পাশে দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয়রা ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি করে আসছেন। আগামী নির্বাচনে আমাকে পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করা হলে এ ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি জনগনের মতামতের ভিত্তিত্বে অবহেলিত গৌরনদী পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।