দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চায়না দুয়ারি বা রিং জাল ব্যবহার করে অবাধে মাছ শিকারের ফলে দেশি মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণভবা নদীসহ বিভিন্ন দাড়ায় এই ধরনের রিং জাল ব্যবহার হলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতি তেমন উন্নত হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূনর্ভবা নদীর তেলমাখা ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েকটি গ্রামে জেলে ও সাধারণ মানুষ রিং জাল ব্যবহার করে মাছ ধরছেন। বর্ষা মৌসুমে এই জালের ব্যবহার আরো বেড়ে যাবে। গতকাল শনিবার উপজেলার পুনর্ভবা নদীর তেলমাখার ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, এই জাল নদীতে বসিয়ে মাছ ধরছেন অনেকেই।
মৎস্যসম্পদ সংশ্লিষ্টদের মতে, রিং জালে বড় মাছের পাশাপাশি মাছের ডিম রেনু ও বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আটকা পড়ে। ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যহৃত হচ্ছে। এক সময় এই পূনর্ভবা নদীতে জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত রিং জালের কারণে এখন মাছের সংখ্যা আশংকা জনকভাবে কমে গেছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করায় প্রচলিত পদ্ধতিতে মাছ ধরা জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকের জালে মাছ না পড়ায় তারা পেশা পরিবর্তন করতেও বাধ্য হচ্ছেন। উপজেলায় প্রায় ৫শত জেলে পরিবার সরাসরি ঢেপা ও পুনর্ভবা নদীর মাছের উপর নির্ভরশীল। এদিকে কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে রিং জাল বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে কাহারোল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জোবাইদা নাজনিন বলেন, নিষিদ্ধ জালের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক জাল আটক করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।