নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাজারীহাট থেকে তারাগঞ্জ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ, ভাঙন ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় এটি এখন কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ সড়কটি সৈয়দপুর ও তারাগঞ্জের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। কৃষিপণ্য পরিবহনেও সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিভিন্ন সময়ে সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে টেকসই কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে জনগণের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছেই। অনেক স্থানে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে ইট ও খোয়া বের হয়ে পড়েছে। যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হওয়ায় অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে পরিবহন মালিকদের। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার ও প্রশস্তকরণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির উন্নয়ন না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সড়ক ব্যবহারকারীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে। সড়ক নিয়ে খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা পাইলট বলেন,দীর্ঘদিন থেকে সড়কটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। হবে হবে করে আজও হয়নি সড়ক সংস্কার কাজ।