শেরপুরের নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি অঞ্চল বাতকুচি। এই গ্রামে আছে কয়েকটি পাড়া। রয়েছে হাতির উপদ্রব। আর এই গ্রামের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে খরস্রোতা নদী চেল্লাখালী। উজানে বৃষ্টি হলেই প্রবল বেগে ঢলের পানি প্রবাহিত হয় নদী দিয়ে। বাতকুচি গ্রাম সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য নদীটির উপর দুটি স্থানে-বারোমারী বাজারের পশ্চিমে এবং আমবাগান বাজারের উত্তরে এক সময় নির্মিত হয় দুটি স্টীলের ব্রীজ। উজানের ব্রীজটি ঢলের পানিতে ভেসে যায় ৫/৬ বছর আগে। পরে স্থানীয়রা নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি করে বাঁশের সাঁকো। তাও এখন বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে আমবাগান বাজার সংলগ্ন ব্রীজটি পর পর দুটি পাহাড়ি ঢলে ভেসে গিয়েছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে গ্রামটি। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে গ্রামবাসীর। উৎপাদিত কোন জিনিসপত্র নিতে পারেন না হাটে। চলতে পারে না কোনো যানবাহন। এরমধ্যে গ্রামটির উত্তর এবং পশ্চিমে ছিল ছোটো আরো তিনটি স্টীলের সাঁকো। যা পাহাড়ি ঝর্ণার উপর। এই সাঁকোগুলোও ভেঙে গিয়েছে। পানির তোড়ে ভেসে গিয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ আরো চরম আকার ধারণ করেছে। এই গ্রামের মানুষের দু:খ এখন চেল্লাখালী নদী ও ভেঙে যাওয়া রাস্তা সাঁকো। অপরদিকে হাতি আতংকতো আছেই। এই গ্রামটি একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। গ্রামবাসীর দাবি ভেসে যাওয়া ব্রিজগুলো দ্রুত নির্মাণ করা হোক।