রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) তিনদিনব্যাপী অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বোর্ড অব অ্যাক্রিডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন’ (বিএইটিই) এর একটি ইভ্যালুয়েশন টিম রোববার বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসে।
রোববার সকালে রুয়েট ক্যাম্পাসে পৌঁছে ইভ্যালুয়েশন টিম প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। সভায় রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বিএইটিই প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা পরিবেশ, ল্যাবরেটরি সুবিধা, অবকাঠামোগত সক্ষমতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করবেন। আগামী মঙ্গলবার মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে চূড়ান্ত সভা করে তারা ঢাকা ফিরবেন। বিএইটিই দেশের প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার মান নির্ধারণ, মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি প্রদানের দায়িত্ব পালন করে। নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করে সংস্থাটি।
রুয়েট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিএইটিইর পূর্ববর্তী মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এবং পুরকৌশল বিভাগ ছয় বছরের জন্য বিএইটিই অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করেছে। এছাড়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়টি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাক্রিডিটেশন অর্জনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ, আন্তর্জাতিক বৃত্তি অর্জন এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ বাড়ে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ‘ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড’-এর মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।