পাবনার চাটমোহরে ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রারের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এসব ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রারের কারণে বেড়েছে বাল্যবিয়ে। নকল নিকাহ রেজিস্ট্রার বই নিয়ে কিছু ব্যক্তি চাটমোহর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন। অভিযোগ চাটমোহর পৌরসভার একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার গোটা উপজেলায় কিছু লোক নিয়োগ করে নিকাহ রেজিস্ট্রার বহি দিয়েছেন। তার বাড়িতেও অহরহ চলছে বিভিন্ন অঞ্চলের নিকাহ রেজিস্ট্রি। বাল্যবিয়ে ও বহু বিবাহ দিয়ে এসকল ভুয়া কাজী (নিকাহ রেজিস্ট্রার) হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।
সর্বশেষ গত সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের কুবিরদিয়ার গ্রামে মওলানা আসাদুল ইসলাম আছাই নামের এক ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রার বাল্যবিয়ে দিতে গিয়ে ধরা খায়। মূলগ্রাম ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহহাব গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে নিকাহ রেজিস্ট্রার বহি জব্দ করেন। এই ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রার পৌরসভার ওই কাজীর হয়ে কাজ করেন বলে স্বীকার করেছেন। শুধু আসাদুল ইসলামই নয়,এ রকম অনেকেই ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে বিয়ে রেজিস্ট্রে করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। চাটমোহরের সামাদ সওদা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিকাহ রেজিস্ট্রি করছেন বলে অভিযোগ। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মওলানা মোঃ আসাদুল ইসলাম আছাই বরেন,‘আমি অবৈধভাবে বিয়ে রেজিস্ট্রির কাজ করি। একজন আমাকে বই দিয়েছে। আমি কোন নিকাহ রেজিস্টার নই। তিনি এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করে মীমাংসা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। উপজেলা কাজী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ মতিন বলেন,চাটমোহরে অনেকেই ভুয়াভাবে বিয়ে,তালাকের কাজ করছেন। দোষ হচ্ছে লাইসেন্সপ্রাপট্ত কাজীদের। এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।