কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে স্টীল বডি নৌকা দিয়ে বালির ব্যবসায়িরা অবৈধভাবে বালি এনে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব ব্যবসায়ীরা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য নিকলী উপজেলার শিংপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদী থেকে রাতের বেলায় সরকারি অনুমতি ছাড়া তারা গত ১ মাস ধরে বালি উত্তোলন করছে। অথচ নিকলী উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে এই অসাধু বালি ব্যবসায়ী চক্রটি একটি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড শিংপুর নদী থেকে নদীর ড্রেজিং করার জন্য অনুমতি দিয়েছে একটি কোম্পানিকে। কিন্তু এই কোম্পানি একটি দলের চক্রের নিকট বালি করছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসন এই বিষয়ে বিভিন্ন সময় এসব অবৈধ বালি ব্যবসায়ীদেরকে জরিমানা করলেও পরক্ষণে তারা নদী থেকে বালি উত্তোলন করার কারণে এলাকার মধ্যে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি সাংবাদিকদের বলেন, এই চক্রটিকে বিভিন্ন সময়ে জরিমানা করেছেন। তবে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিবেন বলে উল্লেখ করেন।