কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী-কুলিয়ারচরসহ আশেপাশের উপজেলাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে দাবদাহের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের গরমে হাশপাশ হয়ে উঠেছে। আজকের আবহাওয়া অফিসের গড় তাপমাত্রা কিশোরগঞ্জে ৩৬০ সেলসিয়াস। যা কয়েকদিনে এর রেকর্ড মাত্রাতিরিক্তভাবে হয়ে উঠেছে। এই উষ্ঠাগত গরমে মানুষ বিভিন্ন বাজারের লেবুর সরবত, জুসের সরবত পান করেও রেহাই পাচ্ছে না। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ এখন রোগাক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা হাপানী, আমাশয়, জন্ডিসসহ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই গরমের পাল্লা দিয়ে কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত উপজেলা গুলোতে রাত দিন মিলে আরইবি’র লোড শেডিং এর গড় মাত্রা হচ্ছে ১৫-১৬ ঘন্টা। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা বিদ্যুৎ না পেয়েও তারা বিদ্যুৎতের বিল দিতে আগের চেয়ে অনেক বেশী। বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে আরইবি’ গত ৭-৮ মাস আগের গ্রাহকরা বিদ্যুতের মিটারের জন্য আবেদন করলেও এখনও পর্যন্ত তারা মিটার পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব কয়েকশত গ্রাহক আশেপাশের বাড়ি থেকে লাইন নিয়ে গরমের হাত থেকে বাঁচতে চাইলেও আরইবি’র লাইন ম্যান মিটার রিডাররা এসব গ্রাহকদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও জরিমানা করছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, বাজিতপুর উপজেলার পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে ভিপিডিপির বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রায় ২৮ হাজার গ্রাহক ছাড়িয়ে গিয়েছে। দিনে রাতে মিলে ১২-১৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ দিচ্ছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ। বর্তমানে প্রতি ইউনিট গড়ে ৭-৮ টাকা আবাসিক ও বাণিজ্যিক গড়ে ১২-১৪ টাকা হারে বাড়লেও গ্রাহকরা সঠিকভাবে বিদ্যুৎ না পাওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যা হলেই বিদ্যুৎ সবচেয়ে বেশী উঠানামা করে এবং রাত ১০ টা পর্যন্ত এদের ভেলকিবাজি শুরু হয়ে যায়। এবিষয়ে বাজিতপুর ভিপিডিপি’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলমকে এই বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা ফোন দিলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে উল্লেখ করেন।