ভালুকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারো বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এতে, কারখানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (৪জুলাই) উপজেলা জামিরদিয়া এলাকায় এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানার এ ঘটনা ঘটে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা য়ায়, ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আলহাজ্ব মোর্শেদ আলমের (বহিস্কৃত) মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান এইচ আর কে এম এন্টারপ্রাইজ সকালে এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানা থেকে ঝুটের মালামাল বের করতে গেলে স্থানীয় এমপির অনুসারীরা বাধাঁ দেয়। এসময় দুই গ্রুপের মাঝে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ভালুকা মডেল থানা ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
মোর্শেদ আলম জানান, এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানাটি আমাদের জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আমার মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান এইচ আর কে এম এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ওয়ার্ক ওয়র্ডার নিয়ে আমি প্রায় ২২ বছর যাবৎ ওই কারখানার ঝুটের ব্যবসা করে আসছি। জাতীয় নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছিলাম। এ কারনে দল আমাকে বহিস্কার করে। ফখর উদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু এমপি হয়েই তার নির্দেশে তার অনুসারীরা উপজেলার প্রত্যেকটি কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল করে নেয়। আজ শনিবার স্থানীয় বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য খোকা মিয়ার নেতৃতে আওয়ামী দোসর ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত তোফাজ্জল হত্যা মামলার আসামীদের সাথে নিয়ে আমার ব্যবসার দখলের চেষ্টা করে। ফলে আমি মালামাল বের করতে পারিনি।
খোকা মিয়া জানান, ‘আগে মোর্শেদ আলমের নামে ওয়ার্ক ওয়ার্ডার ছিলো। এখন আমার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মের্সাস কেএএস আর এন্টারপ্রাইজের নামে এসকিউ কারখানার ঝুট ব্যবসার ওয়ার্কওয়ার্ডার হয়েছে। তাই আমি মালামাল বের করতে আসি। শিল্প পুলিশের এসপি আনসার উদ্দিন জানান, সকালের দিকে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো। এখন পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। যোগাযোগ করতে না পারায় কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।