ময়মনসিংহের ত্রিশালে মোজাদ্দেদীয়া ফিলিং স্টেশনের মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই ) দুপুরে ত্রিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, ‘একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক ও সামাজিক সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামপ্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যা আমার ও আমার পরিবারের সম্মানহানি করছে।
তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে সদর ইউনিয়নের রাগামারা এলাকায় আমার নিজস্ব জমিতে একটি ফিলিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করি। ওই সময় আব্দুল মান্নান নামের এক ব্যক্তি ব্যবসায় অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে পারিবারিক আলোচনার প্রেক্ষিতে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। শর্তানুযায়ী, পেট্রোল পাম্প স্থাপন ও নির্মাণের মোট ব্যয়ের ৪০% তার বহন করার কথা ছিল এবং সেই সূত্রে তাকে আমি ৬ শতাংশ জমি হেবা দলিল মূলে প্রদান করা করি।
পরবর্তীতে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আব্দুল মান্নান উক্ত অর্থ প্রদানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন এবং ব্যবসা পরিচালনায় অপারগতা প্রকাশ করেন। চুক্তি ভঙ্গের কারণে তিনি পরবর্তীতে হেবা দলিলের মাধ্যমে উক্ত জমি পুনরায় আমার ফেরত দেন। বর্তমানে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এবং নিজ নামে উক্ত ফিলিং স্টেশনের যাবতীয় আইনি ও নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। উক্ত ব্যবসার সাথে এখন আব্দুল মান্নান বা অন্য কারও কোনো অংশীদারিত্ব বা সম্পৃক্ততা নেই।
দুঃখজনক হলেও সত্য, চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েও বর্তমানে আব্দুল মান্নান ও তার সহযোগীরা আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিসহ আমার বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিসাধন করার জন্য নানা রকম পায়তারা ও ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে। আমি এই বিষয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং এই অন্যায় আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ সময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এই হয়রানি ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।