বাঘায় টানা বৃষ্টিতে পদ্মার চরে কাদা রাস্তায় মানুষের দুর্ভোগ

এফএনএস (আমানুল হক আমান; বাঘা, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ১০ জুলাই, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
বাঘায় টানা বৃষ্টিতে পদ্মার চরে কাদা রাস্তায় মানুষের দুর্ভোগ

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে কাদা রাস্তায় হাজারও মানুষের দুর্ভোগ। শুক্রবার সকালে পদ্মার নদীর হালিম মাষ্টারের ঘাট পার হয়ে কয়েকজন ভ্যান চালক কাদার মধ্য দিয়ে চকরাজাপুর যেতে দেখা যায়। 

জানা গেছে, উপজেলার খায়েরহাট হালিম মাস্টারের বাড়ি সংলগ্ন পদ্মা নদীর ক্যানেলের উপর খেয়াঘাট পার হয়ে কাচা রাস্তা বেয়ে চকরাজাপুর পাকা রাস্তায় উঠতে হয়। এই রাস্তা পার হতে গিয়ে অনেক দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। 

এই রাস্তা দিয়ে পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর, কালীদাসখালী, লক্ষ্ণীনগর, দাদপুর, উদপুর, পলাশী ফতেপুর, নিচ ফতেপুর পলাশীসহ আটটি চরের ২০ হাজার মানুষ চলাচল করে। একটু বৃষ্টি হলেই কাদায় পরিনত হয়। আটটি চরের মানুষ কয়েকবার রাস্তাটি পাকা করনের জন্য বিভিন্নস্থানে আবেদন করেও কোন সুরাহ হয়নি। ফলে তারা কাদার মধ্যেই চলাচল করতে হয়। এই রাস্তাটি পাকা করনের দাবি জানিয়েছেন চরবাসি।

কালিদাসকালী চরের অটোচালক মোহাম্মদ আবু আলী বলেন, একটু বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া যায় না। একটু বৃষ্টি হলে কাদার ভয়ে অটো বের করতে পারিনা। গরীব মানুষ অটো না চালালে সংসারও চলে না। বাধ্য হয়েই অটো রাস্তায় বের করতে হয়। সারাদিন রাস্তায় অটো চালিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতে হলে এই কাদা পার হতে হলে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া যাওয়া যায় না। 

স্থানীয় কৃষক আজগর আলী শেখ বলেন, মাঠে আমার জমি আছে। এই জমির আবাদ বাড়িতে আনতে গেলে কাদার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হয়। কোন কোন সময় ভ্যানে আনতে হলে এই সামান্য রাস্তার জন্য অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। এই রাস্তাটুকুর জন্য অনেক কষ্টে আছি। রাস্তাটি পাকা হওয়া অতিজরুরি।

এ বিষয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন, রাস্তাটির বিষয়ে আমি নিজেও কয়েকবার বিভিন্নস্থানে আবেদন করেছি। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে এর আগে এই রাস্তায় মাটি কাটা হয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার মানুষ অনেক কষ্ট করে চলাচল করেন। উপজেলা প্রকৌশলী রাস্তাটির বিষয়ে অবগত রয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে