বাজিতপুরে পানিতে ডুবে দুই ভাইবোনের মৃত্যু

এফএনএস (আমিনুল হক সাদি; কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
বাজিতপুরে পানিতে ডুবে দুই ভাইবোনের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের কুকরারাই বাংলা বাজার মসজিদ সংলগ্ন একটি বিলে পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার  বিকেলের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কুকরারাই হাজী বাড়ির বাসিন্দা হাফেজ জাহেদ আলী মুন্সীর ছেলে আশরাফুল (৯) ও মেয়ে তুলনা (১৩)। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কুকরারাই বাংলা বাজার মসজিদের পাশের বিলসংলগ্ন হাঁটুসমান পানিতে আশরাফুল খেলাধূলা করছিল। সে বিলের গভীর পানিতে চলে গিয়ে তলিয়ে যেতে শুরু করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বড় বোন তুলনা পানিতে ঝাঁপ দেয়। ছোট ভাইকে উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে গিয়ে বোনও পানিতে তলিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয়রা জানান, তাদের উদ্ধার করে বাজিতপুর উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, উদ্ধারকালে বড় বোন তুলনা ছোট ভাই আশরাফুলকে জড়িয়ে ধরে ছিল।  এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৈলাগ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কায়ছার এ হাবিব বলেন, “খবর পেয়ে আমি নিহত দুই শিশুর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় দুই শিশুর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”

বাজিতপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তালেব বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কেউ অবহিত করেনি। আমরা গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট থেকে বিষয়টি জেনেছি। আমাদের না জানিয়ে লাশ দুটি দাফন করা হয়েছে। আমাদের জানানো হলে অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হতো। সম্ভবত গ্রামের মানুষ বিষয়টি জানতেন না।” একসঙ্গে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের মধ্যেও বিরাজ করছে গভীর শোক।রারাই বাংলা বাজার মসজিদের পাশের বিলসংলগ্ন হাঁটুসমান পানিতে আশরাফুল খেলাধূলা করছিল। সে বিলের গভীর পানিতে চলে গিয়ে তলিয়ে যেতে শুরু করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বড় বোন তুলনা পানিতে ঝাঁপ দেয়। ছোট ভাইকে উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে গিয়ে বোনও পানিতে তলিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয়রা জানান, তাদের উদ্ধার করে বাজিতপুর উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, উদ্ধারকালে বড় বোন তুলনা ছোট ভাই আশরাফুলকে জড়িয়ে ধরে ছিল।  এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৈলাগ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কায়ছার এ হাবিব বলেন, “খবর পেয়ে আমি নিহত দুই শিশুর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় দুই শিশুর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”

বাজিতপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তালেব বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কেউ অবহিত করেনি। আমরা গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট থেকে বিষয়টি জেনেছি। আমাদের না জানিয়ে লাশ দুটি দাফন করা হয়েছে। আমাদের জানানো হলে অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হতো। সম্ভবত গ্রামের মানুষ বিষয়টি জানতেন না।” একসঙ্গে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের মধ্যেও বিরাজ করছে গভীর শোক।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে