বরেন্দ্রকে ‘স্মার্ট কৃষি অঞ্চল’ হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য: বিএমডিএ চেয়ারম্যান

এম এম মামুন; রাজশাহী | প্রকাশ: ২১ জুলাই, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
বরেন্দ্রকে ‘স্মার্ট কৃষি অঞ্চল’ হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য: বিএমডিএ চেয়ারম্যান
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সার্বিক কার্যক্রম, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজশাহীতে বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএর চেয়ারম্যান (সচিব পদমর্যাদা) কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন।সভায় তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল দেশের খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি। একসময় খরা ও পানির সংকটে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চল বর্তমানে কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে ভূগর্ভস্থ পানির সুরক্ষা, ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে সেচ কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং কৃষকের দোরগোড়ায় উন্নত সেবা পৌঁছে দিয়ে বরেন্দ্রকে টেকসই, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট কৃষি অঞ্চলে রূপান্তর করাই বিএমডিএর মূল লক্ষ্য। বিএমডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করতে নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেন। সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সেচ কার্যক্রম, কৃষি উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল কাসেম, সচিব মো. মেহেদী হাসান, বিভিন্ন অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ব্যবস্থাপক (কৃষি), প্রকল্প পরিচালক এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে