পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করকোলা মৌজায় (বওশা ব্রিজের পাশে) ব্যক্তি মালিকানাধীন ফসলি জমি জবরদখল করে এলজিইডি’র রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি জমির মালিক চাটমোহর পৌর সদরের বালুচর মহল্লার বাসিন্দা প্রভাষক মোসাঃ মমতাজ মহল চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এনিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে,করকোলা মৌজার ১০৯১ ও ১০৯২ নং দাগের মধ্যে ২৫ শতাংশ কৃষি জমিতে একটি মহল সহযোগিতায় এলজিইডি ১০-১২ শতাংশ জমি জবর দখল করে সরকারি রাস্তা নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যে রাস্তায় মাটি কেটে বালু ফেলা হয়েছে। ঠিকাদার ও তার লোকজন কোন প্রকার বাধাই মানছেন না। রাস্তা করার জন্য দখলকৃত জমি সরকারিভাবে এ্যাকোয়ারও করা হয়নি। ইতোপূর্বে ২০২৩ সালে জোরপূর্বক মাটির রাস্তা করার চেষ্টা করা হয়। তখন প্রভাষক মমতাজ মহল আদালতে মামরা করেন। যার নং ১২৭/২৩। মামলায় বাদী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পান,মামলাটি বর্তমান চলমান আছে। অভিযোগ করকোলা গ্রামের বাবু ও রাস্তার ঠিকাদার যোগসাজসে জমি জবরদখল করে এই রাস্তা নির্মাণের অপচেষ্টা করছেন। রাস্তা নির্মাণের জন্য রাতের আঁধারে বালু ও মাটি ফেলা হয়েছে। এই রাস্তা জোরপূর্বক নির্মাণ করা হলে ভুক্তভোগি মমতাজ মহল বড় ধরণের ক্সতির সম্মুখিন হবেন বলে জানান।
এদিকে বুধবার (২৯ জুলাই) চাটমোহর উপজেলা প্রকৌশলী এজাজুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগকারী পক্ষের সাথে কথা বলেন। উপজেলা প্রকৌশলী জানান,জমির পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করা দরকার। এরপর রাস্তা নির্মাণে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাছাড়া জনগণের চলাচলের জন্য সবারই সহযোগিদা করা দরকার। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান,অভিযোগ পাওয়ার পর ওই জমি বাদ রেখে রাস্তা নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত করে আদালতের বিষয়টি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাস্তার বাকি অংশের কাজ চলবে।