চিরিরবন্দরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বড় ভাই ও ভাতিজার আঘাতে ছোট ভাই রদশা দাসকে (৪৫) গুরুতর আহত অবস্থায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মৃত্যুবরণ করেছে। এ ঘটনাটি উপজেলার সাঁইতাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম সাঁইতাড়া গ্রামের জালিয়া (দাস) পাড়ায় গত ৫ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ টায় ঘটেছে।
এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা রামবাবু সাধুর বড় ছেলে ভূষন দাসের পরিবার ও ছোট ছেলে রদশা দাসের পরিবারের মধ্যে প্রায়ই বিভিন্ন ছোটখাট বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। বাবার মুক্তিযোদ্ধার ভাতার টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব বিরাজ করছিল। ছোট ভাই রদশা রায়ের পুকুরের মাছ পার্শ্ববর্তি বড় ভাইয়ের জমিতে গেলে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করার সময় মাছগুলি মরে গেলে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সাবিত্রী দাস মাছগুলি কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে আসলে গত ৫ আগস্ট বুধবার সকালে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বকাবকি করে। এরই জের ধরে বড় ভাই ভূষন দাস ও তার ছেলে অনিমেশ দাস গত ৫ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ টায় বাজার থেকে ফেরার সময় ছোট ভাইয়ের পথরোধ করে বকাবকির কৈফিয়ত চেয়ে ব্যাপক মারপিট করে। এতে গুরুতর আহত হলে পথচারীরা ও বড় ভাই এবং ভাতিজা গুরুতর আহত অবস্থায় রদশা দাসকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করলে সেখানেই চিকিৎিসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মৃত্যুবরণ করে।
থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহমুদুন নবী বলেন, মরদেহের সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উক্ত ঘটনায় গতকাল ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে থানায় একটি মামলা রুজু করে বিবাদি সাবিত্রী দাসকে আটক করা হয়েছে। ভূষন দাস ও ছেলে অনিমেশ দাস পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।