ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন। পাসের হার ৬৭.৬৩। এবার এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৮টি বিদ্যালয় থেকে ১১৩৭ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এরমধ্যে পাস করেছে ৭৬৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন। মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন চন্দ্র ভট্টাচার্য্য । তবে এ বছরের ফলাফলে উপজেলায় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাল ফলাফল করলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। উপজেলার সেরা ফলাফল করা বড়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯১.৫৮ শতাংশ । তবে বরাবরই ফলাফল শীর্ষস্থানে থাকেন নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এবার এ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৭৭.৬৭ শতাংশ হলেও এ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা উপজেলার মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন।
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে চাতলপাড় ওয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, ভলাকুট ক্ষেত্রনাথ বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয় ৫ জন,ফান্দাউক পণ্ডিতরাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন, গুনিয়াউক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন,কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২ জন,হরিণবেড় শাহজাহান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২ জন,বিজয়লক্ষী স্কুল এন্ড কলেজ ও পূর্বভাগ এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদিকে একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ১১ জন উর্ত্তীণ হলেও এ সরকারি বিদ্যালয় থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
এছাড়া আরও ৫টি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। অন্যদিকে একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে দাখিল পরীক্ষায় ৭টি মাদ্রাসা থেকে ২৫১ জন অংশগ্রহন করে ১৭০ জন উর্ত্তীণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। শতকরা পাসের হার ৬৭.৭৩। উপজেলার সেরা ফলাফল করা নাসিরনগর জামিয়া মতিনিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ ২৯ জনই পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। এ মাদ্রাসার পাশের হার শতভাগ। এছাড়া মাদ্রাসা ই মিরানিয়া কচুয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪জন ও রতনপুর ফাজিলিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।