চালক অপু বিশ্বাসকে (২৮) অজ্ঞান করে তার ইজিবাইক, সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের পর রাস্তায় ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় অপু বিশ্বাসকে উদ্ধার করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। ভুক্তভোগী অপু আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্মপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া এলাকার চাপাচুপা গ্রামের বাসিন্দা শিরোমনি বিশ্বাসের ছেলে। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে অপু বিশ্বাসের ভাই শিশির বিশ্বাস জানান, শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে নিজের ইজিবাইক নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপু। ওইদিন রাত দশটার দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি অচেতন অবস্থায় গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে অপু।
তিনি আরও জানান, তার (অপু) এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি। যে কারনে কোনস্থানে বসে তাকে অজ্ঞান করা হয়েছে বা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হাপসাতালের জরুরি বিভাগের উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার (স্যাকমো) জাহিদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে কে বা কারা অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে রেখে যায়।
পরবর্তীতে তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গৌরনদী মডেল থানার ওসি মে. তারিক হাসান রাসেল বলেন, খবরপেয়ে রাতেই হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওই যুবকের জ্ঞান ফেরার পর বিস্তারিত জেনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। উল্লেখ্য, এরপূর্বে গৌরনদীর বাটাজোর এলাকা থেকে নিজের ইজিবাইকসহ নিখোঁজ হয়েছিলেন মামুন রাঢ়ী নামের এক যুবক। পরবর্তীতে নিখোঁজ মামুনের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছিলে গৌরনদীর বার্থী এালাকা থেকে। সেই থেকে নিহত মামুনের হারিয়ে যাওয়া ইজিবাইক উদ্ধার কিংবা চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নিহত মামুন রাঢ়ী উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়নের উত্তর মোড়াকাঠি গ্রামের আব্দুস সালাম রাঢ়ীর ছেলে। চাঞ্চল্যকর মামুন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য নিহতের পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।