বাজিতপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী আছে, ডাক্তার ও রোগীদের খাবার সংকট

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
বাজিতপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী আছে, ডাক্তার ও রোগীদের খাবার সংকট

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলাটি একটি পৌরসভাসহ ১১ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। সেই উপজেলায় ৪ লক্ষ লোকের বসবাস। এই ঘনবসতি লোকের জন্য প্রকৃতপক্ষে ১৪ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও ডেপুটেশন, ছুটিসহ ৯ জন ডাক্তার কর্মরত থাকেন। এখানে গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট, মেডিসিন বিভাগের ও অর্থপেটিক্স বিভাগের ডাক্তারের পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূণ্য থাকার কারণে রোগীরা সবচেয়ে বেশী ভুগান্তির শিকার হচ্ছেন। যদিও ৫০ জন রোগীর খাবার দেওয়ার কথা কিন্তু খাবারের মান খুবই নিম্নমানের। প্রতিদিন বর্হিবিভাগে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী থাকে। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ঔষধ পাওয়া যায় খুব কমই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ছুটি থাকার কারণে হাসপাতালটি এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে গত ২ দিন ধরে। গতকাল সরেজমিন গিয়ে খোজ নিয়ে দেখা গেছে, গত ১ সপ্তাহে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় অন্তত ৩০ থেকে ৪০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে গত ২ দিনে বাজিতপুর পৌর শহড়ের মথুরাপুর গ্রামের আরজ মিয়ার ছেলে মাসুম মিয়া ( ২৮ ) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। নিউমোনিয়ায় অন্তত ১ সপ্তাহে ১৫-২০ জন রোগী ভর্তি হলেও তারা অন্যত্র চলে গেছেন। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২ জন শিশু এখনও পর্যন্ত ভর্তি রয়েছেন। এরা হলেন, হিলচিয়া ইউনিয়নের লৌহগাঁও গ্রামের আতিক মিয়ার শিশু কন্যা আদিবা (১৫) মাস, পৌর শহড়ের বসাকপাড়া গ্রামের মানিক মিয়ার শিশু সন্তান ইমতিয়াজ মিয়া (০২ বছর ০৩ ) মাস ভর্তি রয়েছেন। রোগীদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন, সরকারি ভাবে কিছু ঔষধ থাকলেও প্রায়ই ঔষধ ওই তাদেরকে বাহির থেকে কিনে এনে রোগীকে ডাক্তারের মাধ্যমে ভালো করতে হচ্ছে। অক্সিজেন, ট্যাবুলাইজার সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি পুরাতন থাকায় অনেক সময় বিকল হয়ে পড়ে। এজন্য জরুরি রোগীদের দেখাতে গিয়ে অনেক রোগী সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: শামসুস সালেহীন ছুটি থাকার কারণে তার সাথে যোগাযোগ করা যায় নি। 

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে