রাজশাহীর বাঘায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহতের ঘটনায় ২৫ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার রাতে নিহত শিমুল হোসেনের পিতা গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সবাইকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতকাদিরপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শিমুল হোসেন (২৮) ও একই গ্রামের নবীন শাহার ছেলে শমজান আলী (৪০) জোতকাদিরপুর স্কুলের পাশে মুনছুর আলীর ছেলে ইয়ার আলীর বাড়িতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াই দিকে গরু চুরি করতে যায়। এ সময় বাড়ির মালিকের উপস্থিত টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার সময়ে এলাকার লোকজন ঘীরে তাদের আটক করে ঘুটির সাথে বেধে রাখে। সকালে তাদের দফায় দফায় মারপিট করে আহত করা হয়। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্্ের নেওয়ার পর দায়িত্বরত ডাক্তার শিমুল হোসেনকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এরমধ্যে শমজান আলীর আবস্থা আশংকাজনক দেখে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ বিষয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর সালাউদ্দিন আহমেদ লিটন বলেন, সোমবার রাতে গরু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গণপিটুনিতে শিমুল হোসেনের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে বাঘা থানার (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, শিমুল হোসেনের মরদেহ ময়না তদন্তের পর দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিমুল হোসেনের পিতা গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করেন। আসামীদের চিহৃত করে গ্রেফতার অভিযান চলছে। এ দিকে গরুর মালিক ইয়ার আলী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।