খুলনার পাইকগাছায় এবার ডেঙ্গুজ্বরে অকালে প্রাণ হারালো মাজাহারুল মুন্না অপু (১৭)সহ দুজন! উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের সহকারী (হেলপার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৮ টার দিকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে (হেলথ কেয়ার ক্লিনিক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপু'র মৃত্যু হয়। সে উপজেলার গড়ইখালী ইউপি'র শান্তা'র মাসুম বিল্লাহ সরদার ও বেলী দম্পতির ছেলে। অপু ছোটবেলা থেকে নানার বাড়ি ভিলেজ পাইকগাছায় থাকতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিকেলে ভিলেজ পাইকগাছার উত্তর পাড়া শাহী জামে মসজিদে মরহুমের জানাযা শেষে সরকারি কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডলের অকাল মৃত্যু হয়! তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার লস্কর ইউপি'র ঠাকুরনবাড়ীতে। উপজেলায় প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ মূহুর্তে কর্য্যকর পদক্ষেপ বা মশক নিধনে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। গত ২৫ আগস্ট-২৬ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা হয়। কর্তৃপক্ষ বলছেন, ৫০ শর্য্যার এ হাসপাতালে বিভিন্ন রোগ নিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০-১২০ জন রোগি ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর বেড সংখ্যা মাত্র ৫টি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০-১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। মশক নিধন বা এক্ষুণি সচেতন না হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরোও খারাপ হতে পারে।