দিনের ব্যস্ততা শেষে যখন শহর অনেকটাই নীরব, তখন রাত সাড়ে ১১টায় শ্রীমঙ্গল পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে বের হন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান। রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউএনও। এ সময় সড়ক, জনসমাগমস্থল ও বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা অপসারণসহ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম। ইউএনও মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “শ্রীমঙ্গল একটি পর্যটন শহর। এই শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। তাই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি আমরা সরেজমিনে তা মনিটরিং করছি। কোথাও যাতে ময়লা-আবর্জনা পড়ে না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে প্রশাসন ও পৌরসভার পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।” পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত চলছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও জনসমাগমস্থলগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রাতেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “পৌর প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। তবে শুধু পৌরসভার কর্মীদের দিয়ে একটি শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পৌর এলাকা গড়ে তুলতে নিয়মিত মনিটরিং ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।