এক একর ৬৩ শতক জমির খাজনা পরিশোধ করতে ধানখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলেন দুবাই প্রবাসী ওমর ফারুক। প্রথমে তার কাছে আট হাজার টাকা দাবি করেন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। পরে পাঁচ হাজার টাকায় রফা হয়। কিন্তু তাঁকে যে দাখিলা দেয়া হয়েছে সেখানে মাত্র ২৬০ টাকা জমা দেখানো হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ঘটনা। টাকার সাথে হিসাব না মেলায় জিজ্ঞেস করেছিলেন ওমর ফারুক, কিন্তু এনিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং ফল ভালো হবে না বলেও হুমকি দেয়া হয়েছে। লিখিত এমন অভিযোগে ভুক্তভোগী ধানখালীর বাসীন্দা দুবাই প্রবাসী ওমর ফারুক প্রতিকার চেয়েছেন।
গত ৬ অক্টোবরের ঘটনা। এমনকি প্রথমে ওই ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ১৭-১৮ হাজার টাকাও দাবি করেছিলেন। পরবর্তীতে আট হাজার টাকা ও এক পর্যায়ে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে বলেন আমি যা লিখি কিছু বলতে পারবেন না। অবশেষে ২৬০ টাকার দাখিলা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ওই নামে কাউকে চেনেন না। টাকা লেনদেনের বিষয়টি সম্পুর্ণ অস্বীকার করেন। অভিযোগকারীকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বলেন। কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইয়াসীন সাদেক জানান, বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।