নেত্রেকোনার দুর্গাপুর উপজলোয় কোটি’রও বেশী টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন একটি গুরুত্বর্পূণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পরে কাজের শুরুতইে অনিয়মরে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি ঘঠিত হয়েছে,শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংশ্লষ্টি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয় এর পর পরই নড়েচড়ে বসে সংশ্লষ্টি র্কতৃপক্ষ। পরে গত ১২ এপ্রিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধদিপ্তর(এলজিইডি)ময়মনসংিহ অঞ্চলরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাঈমা নাজনীন নাজ’কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা হয়েছে। এ বিষয়ে নাঈমা নাজনীন নাজ এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করনে। তবে সরেজমিনে তদন্তের আগে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলজিইডির আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্গাপুর ইউনিয়নের চারিয়া থেকে মাকড়াইল বাজার পর্যন্ত ১ হাজার ৭০ মিটার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পান মেসার্স তাজ উদ্দিন ফরাস সেন্টু নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৫ হাজার টাকা। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে কাজ শুরু হয়। বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে কার্পেটিং শুরু হলেও প্রায় ২শ মিটার কাজের পরই সামনে আসে অনিয়মের চত্রি। সংশ্লষ্টি সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত প্রকল্প থেকে প্রায় ৮১ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
সরকারি কাগজপত্রে মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলওে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন মো. মনির মিয়া নামে এক ব্যাক্তি। জানতে চাইলে তিনি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করনে, ভালো মানের কাজ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় বিটুমিন ব্যবহার করা হয়নি, সে কারণেই নতুন কার্পেটিং হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে। তারা অনিয়মের অংশ তুলে নতুন করে মানসম্মত কাজ করার দাবি জানান। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলনে, বর্তমানে সড়করে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্র্মকর্তা আফরোজা আফসানা বলেন, সড়কের কাজে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।