আশাশুনিতে খাল জলমহল অবৈধ দখলের প্রতিকার প্রার্থনা

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
আশাশুনিতে খাল জলমহল অবৈধ দখলের প্রতিকার প্রার্থনা

আশাশুনি সদরের সলুয়া ও হাড়িয়া খাল জলমহল দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জবরদখলের প্রতিকার প্রার্থনা করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শ্যামানন্দ কুন্ডু বরাবর লিখিত আবেদন করেন বিল নাটানা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি সঞ্জয় মন্ডল। 

লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, আশাশুনি সদর ইউনিয়নের সলুয়া খাল ও হাড়িয়া নদী-খাল জলমহাল দুটি সরকারি নীতিমালা ২০০৯ এর আলোকে বিগত বাংলা ১লা বৈশাখ ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ সনের ৩০ শে চৈত্র পর্যন্ত ৩ বছরের ইজারা নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখলে আছি। কিন্তু বর্তমান সময়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে গত ১৬ এপ্রিল আশাশুনি সদরের মশিউল হুদা তুহিন, হাবিবুল্লাহ হাবিল, নুরে আলম সরোয়ার লিটন, রুহুল আমিন মোড়ল, নুর ইসলাম মোড়ল, মোকলেছুর রহমান, মোঃ বিল্লাল হোসেন, আব্দুল কাদের, শফিকুল সানা সহ অজ্ঞাত নামা ৩০/৩৫ জন সম্পূর্ণ বে-আইনী ভাবে আমাদের খালের মাছ রক্ষা করা পাটা, জাল কেটে আনুমানিক ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। এছাড়া বেসজাল টেনে ৫/৭ লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়েছে। বর্তমানে জলমহাল দুটি অবৈধ ভাবে দখলে রেখে আমাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক হওয়ায় সেখানে বাধা দিতে গেলে নির্যাতনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সরকারি রাজস্ব পরিশোধকারীর অনুকূলে দখল বজায় রাখার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।  এ ব্যাপারে মশিউল হুদা তুহিন জানান, ওই খাল দিয়ে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন সহ পার্শ্ববর্তী শ্রীউলা ইউনিয়নের পানি নিস্কাশন হয়ে থাকে। কিন্তু শত শত নেট পাটা দেওয়ায় খালে পানি নিস্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। ১৬ এপ্রিল স্থানীয় জনসাধারণ ওই অবৈধ নেটপাটা অপসারণ করে খালটি উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এতে আমার বা আমার দলের কোন সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগকারী বিএনপি নেতৃবৃন্দের নামে অহেতুক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে