নিয়মিত খেলাই চ্যালেঞ্জ, ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়তে হতে পারে জেমস ট্রাফোর্ডকে

এফএনএস স্পোর্টস ডেস্ক
| আপডেট: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০৭ পিএম | প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
নিয়মিত খেলাই চ্যালেঞ্জ, ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়তে হতে পারে জেমস ট্রাফোর্ডকে

ম্যানচেস্টার সিটির তরুণ গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডকে ঘিরে নতুন করে বড় আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে বলা হচ্ছে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেতে হলে তাকে হয়তো এই গ্রীষ্মেই ক্লাব ছাড়তে হতে পারে। ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নাম্বার ওয়ান হিসেবে যাকে দেখা হচ্ছে, তার ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে নিয়মিত ম্যাচটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ওয়েম্বলিতে কারাবাও কাপ ফাইনালসহ বড় ম্যাচগুলোতে দারুণ পারফর্ম করলেও প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ না পাওয়ায় থমকে আছে ট্রাফোর্ডের অগ্রগতি। একদিকে ম্যানচেস্টার সিটির তারকাখচিত স্কোয়াড, অন্যদিকে নিয়মিত খেলার আকাঙ্ক্ষা, দুইয়ের টানাপোড়েনে পড়েছেন এই তরুণ গোলরক্ষক।

গত মৌসুমে বার্নলিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৪৫ ম্যাচে ২৯টি ক্লিন শিট রেখে আলোচনায় আসেন ট্রাফোর্ড। সেই পারফরম্যান্সই তাকে আবার সিটিতে ফিরিয়ে আনে। তবে প্রত্যাশা ছিল তিনি ধীরে ধীরে প্রথম পছন্দে জায়গা করে নেবেন, বাস্তবতা হয়েছে ভিন্ন।

প্রথমে কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ পেলেও দ্রুতই প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। পরে দলের গোলরক্ষক বিভাগে অভিজ্ঞ ও বড় নাম যুক্ত হওয়ায় ট্রাফোর্ডের জন্য প্রিমিয়ার লিগে জায়গা পাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এখন পর্যন্ত তিনি লিগ ম্যাচে নিয়মিত সুযোগ পাননি।

ফাইনালসহ কাপ প্রতিযোগিতায় তার পারফরম্যান্স অবশ্য নজর কেড়েছে। আর্সেনালের বিপক্ষে কারাবাও কাপ ফাইনালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন তিনি। সেই ম্যাচেই অনেকে বুঝতে পারেন, বড় মঞ্চে চাপ সামলানোর ক্ষমতা তার আছে।

তবে নিজেই এক সাক্ষাৎকারে ট্রাফোর্ড ইঙ্গিত দেন, নিয়মিত না খেলাটা তার জন্য সহজ নয়। তিনি বলেন, “এটা খুব কঠিন সময় ছিল, তবে আমার চারপাশে ভালো মানুষ আছে যারা আমাকে সমর্থন করছে।” তার এই মন্তব্যই ইঙ্গিত দেয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব দূরে নয়।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাফোর্ডের মতো তরুণ প্রতিভার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিক ম্যাচ খেলা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইংল্যান্ড দলে জায়গা পেতে হলে তাকে নিয়মিত প্রথম দলে খেলতে হবে। অনেকেই মনে করছেন, সিটিতে থেকে সেই সুযোগ পাওয়া কঠিন।

ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলার আস্থা পেলেও স্কোয়াডের গভীরতা এবং প্রতিযোগিতা ট্রাফোর্ডকে পিছিয়ে দিচ্ছে। ফলে সামনে ট্রান্সফার উইন্ডোতে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাফোর্ড নিয়মিত খেলেন, তাহলে তিনি ভবিষ্যতে জর্ডান পিকফোর্ডের জায়গায় জাতীয় দলের এক নম্বর গোলরক্ষক হওয়ার দৌড়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে