চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম একটি সড়কে প্রায় অর্ধেক অংশে গাছের কাটা অংশ ফেলে রেখেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ অফিরে লোকজন । প্রায় তিন মাস যাবদ পড়ে আছে এই গাছ গুলো। এরি মধ্যে চুরিও হয়েছে কয়েক পিস গাছ । এই গাছের কারনে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে পথচারিরা ও ভোগান্তিতে রয়েছে । সড়ক সরু হওয়ায় ছোট-বড় দূর্ঘটনা ও ঘটছে প্রতিনিয়ত গতকাল রবিবার এই গাছের কাটা অংশের কারনে দূর্ঘটনায় আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন। রেলওয়ে ডিএন-২ অফিসের একজন দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন গাছের কাটা অংশে মূল্য নির্ধারন করেন বন বিভাগ আমরা তাদের কাছে এরি মধ্যে দুইটি চিঠি দিয়েছি । তারা এসে মূল্য নির্ধারনে পর এগুলো সরিয়ে নেয়া হবে । যতক্ষন মূল্য নির্ধারনের কাজ শেষ না হচ্ছে, ততক্ষন সরানো যাচ্ছে না । আর এই কাজে একটু দেরি হওয়ায় সরানো সম্ভব হয়নি । চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ন জায়গা টাইগারপাস ও কদমতলী এলাকা। এই এলাকায় বিভিন্ন সরকারি গুরুত্বপূর্ন অসিফ আদালত বিভিন্ন স্কুল অবস্থিত,যার কারনে ঝঁকিপূর্ণ হয়েছে আরো বেশি । সকাল হলেই এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আসা যাওয়া করেন ।এই স্থানটির পাশে রয়েছে দুইটি বেসরকারি স্কুল , রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বাংলো ও খেলার মাঠ ,হাসপাতাল । এ সড়কে প্রতিদিন যানবাহনও হাজারো মানুষ বিভিন্ন অফিসে যাতায়াত করেন সবাই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন । এই এলাকার বাসিন্দা শুক্কুর বলেন চট্টগ্রাম শহরের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত সড়ক হচ্ছে এটি শহরের বাস টার্মিনাল দিয়ে বিভিন্ন জেলাতে যেতে হয় এই সড়ক দিয়ে । এই গাছের কারনে বর্তমানে এই সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে । আমরা রেলওয়ে কতৃপক্ষকে বার বার গাছগুলো সরানোর জন্য জানিয়ে কিন্তু কোন প্রতিকার পাইনি । এ ব্যাপারে রেলওয়ে মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মোঃ সুবত্তগীন বলেন রেলওয়ে বিভিন্ন বিভাগ আছেন যারা এই সব দেখেন যেমন রেলওয়ে জায়গা সংক্রান্ত দেখেন রেলওয়ে ভূমি অফিস আর বাসাবাড়ি ও গাছ সংক্রান্ত এইসব দেখেন ডিএন-২ অফিস , আপনি তাদের সাথে কথা বললেই পেয়ে যাবেন সব । এই ব্যাপারে ডিএন-২ জিসান দত্তকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এই কাটা গাছ গুলোর ব্যপারে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।