তিস্তা সেতু পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি’র প্রকৌশলী

এফএনএস (মোঃ ইমদাদুল হক; সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা) : : | প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর, ২০২৪, ০৩:০৪ এএম : | আপডেট: ৫ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৩৫ পিএম
তিস্তা সেতু পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি’র প্রকৌশলী

উত্তরাঞ্চল তথা গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার লাখ লাখ মানুষের মধ্যে সেতু বন্ধন রচনার লক্ষ্যে সুন্দরগঞ্জের হরিপুর-চিলমারী পর্যন্ত তিস্তা নদীর উপর নির্মিত ১ হাজার ৪’শ ৯০ মিটার দীর্ঘ স্বপ্নের গার্ডার সেতু পরিদর্শন করেছেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী গোপাল কৃষ্ণ দেবনাথ। গতকাল শনিবার বেলা ১২ ঘটিকার সময় তিনি সেতু স্থলে পৌছেন এবং পায়ে হেটে সেতুটির বিভিন্ন গারিগরি দিক ঘুরে ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় লোজনের সাথে আন্তরিকভাবে কথা বলেন এবং জানান, সেতুটির নির্মান কাজ ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে বাকী কাজ সম্পন্ন হলে আগামী বছরের মার্চ মাসের শেষ দিকে সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে আশা করছি। উল্লেখ্য, উত্তরাঞ্চল তথা গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার লাখ লাখ মানুষের দাবী বাস্তবায়নে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা নদীর উপর সাড়ে ৮’শ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতুটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। সৌদি সরকারের অর্থায়নে ও চিনা কন্সট্রাকশন ফার্মের কারিগরি সহায়তায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ হওয়ার ফলে গাইবান্ধা জেলা ও কুড়িগ্রাম জেলা থেকে রাজধানী শহরের দূরত্ব ৭০-৮০ কি.মি. কমে যাবে। এতে করে এ অঞ্চলের তথা উত্তরাঞ্চলের মধ্যে একটি যুগান্তকারী সেতুবন্ধন রচিত হলো। সেতুটি পরিদর্শনকালে প্রধান প্রকৌশলীর সাথে ছিলেন সেতুটি বাস্তবায়নের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আঃ মালেক, সাবেক প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম প্রামানিক, গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মান্নাফ, ফুলছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নয়ন কৃষ্ণ, চিনা প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুব উল আলম, মাহবুবুর রহমানসহ স্থানীয় সুধিমহল।

0 LIKE
0 LOVE
0 LOL
0 SAD
0 ANGRY
0 WOW
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে