ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনের মধ্যে ৩৬ দিনই গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০৭ জন। চিকিৎসার জন্য উপত্যকা ছাড়তে পেরেছেন মাত্র আট শতাংশ মানুষ। জরুরি সরবরাহও পৌঁছেছে মাত্র ২০ শতাংশ। শান্তিচুক্তি বজায় থাকলেও বিপন্ন হচ্ছে জনজীবন।
শান্তিচুক্তির পরও গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। বিশ্ববাসীর দৃষ্টি যখন ছিল ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায়, তখনও গাজায় হামলা চালিয়ে গেছে নেতানিয়াহুর সেনারা। ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনের মধ্যে ৩৬ দিনই উপত্যাকাটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।
এছাড়া রাফাহ ক্রসিং বন্ধ থাকায় আহতদের চিকিৎসা ও জরুরি সরবরাহও সীমিত হয়ে পড়েছে।
চিকিৎসার জন্য গাজা ছাড়ার অনুমতি পেয়েছেন মাত্র ৬২৫ জন। খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের জন্য ২৩ হাজার ৪০০ ট্রাকের মধ্যে মাত্র ৪ হাজার ৯৯৯টি ট্রাক প্রবেশ করতে পেরেছে, যা চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ। এসব সীমাবদ্ধতা গাজার মানবিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ইসরাইল-সমর্থিত আবু নাসিরা গোষ্ঠী গাজার বাসিন্দাদের বাড়ি, ফসলের খেত ও গ্রিনহাউস জ্বালিয়ে দিয়েছে। ইসরাইলি ড্রোন ও ট্যাঙ্কের আঘাতে শিশুসহ সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছে। এই হামলাকে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে হামাস।
হামলা থেকে বাদ যায়নি শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। বেইত লাহিয়ার আবু উবাইদা বিন আল-জাররাহ স্কুলে ট্যাঙ্কের শেলের আঘাতে শিশু নিহত হয়েছে। উপত্যকাটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইলকে দায়ী করে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। হামলা চালানো হয়েছে সাংবাদিকদের ওপরও।