অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো, আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে মালিক। আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত এই সিনেমার পোস্টার প্রকাশ করে মুক্তির খবর নিশ্চিত করেছে পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান টাইগার মিডিয়া। দীর্ঘদিনের জল্পনা শেষে ঈদের সিনেমার তালিকায় যুক্ত হলো আলোচিত এই অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র।
গত বছরের শেষ দিকে পরিচালক সাইফ চন্দন সিনেমাটির শুটিং শুরু করেন। প্রথমদিকে পরিকল্পনা ছিল ঈদুল ফিতরে মুক্তির। তবে শুটিং ও পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ শেষ না হওয়ায় তখন তা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই গুঞ্জন চলছিল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে সিনেমাটি। গত বুধবার পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে সেই গুঞ্জনেরই আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
প্রকাশিত পোস্টারগুলোতেও দেখা গেছে দুই ভিন্ন আবহ। একটিতে ভয়ংকর অ্যাকশন লুকে হাজির হয়েছেন আরিফিন শুভ। চোখেমুখে প্রতিশোধের আগুন। অন্য পোস্টারে রোমান্টিক আবহে শুভর সঙ্গে দেখা গেছে বিদ্যা সিনহা মিমকে। পোস্টারে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে সিনেমাটির ট্যাগলাইন, “রেভেঞ্জ হ্যাজ আ নিউ নেম”।
অ্যাকশনধর্মী গল্পে নির্মিত ‘মালিক’-এ উঠে আসবে এক জেদি ও একরোখা মানুষের লড়াইয়ের গল্প। মায়ের সম্মান ও হারিয়ে যাওয়া অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য প্রতিশোধের পথে নামা এক তরুণ কীভাবে সময়ের সঙ্গে অপরাধ জগতের ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়, সেই গল্পই দেখা যাবে সিনেমায়। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
অন্যদিকে বিদ্যা সিনহা মিমকেও দেখা যাবে নতুন রূপে। অ্যাকশন দৃশ্যে নিজেকে প্রস্তুত করতে তিনি নিয়েছেন মার্শাল আর্ট ও অ্যাকশন কোরিওগ্রাফির বিশেষ প্রশিক্ষণ। নির্মাতা সাইফ চন্দনের ভাষ্য, “অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা হলেও এতে সুন্দর একটি গল্প রয়েছে। অভিনয়শিল্পীরা সবাই দারুণ কাজ করেছেন। পোস্টার, গান ও ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শক আরও চমকে যাবে।”
বর্তমানে কলকাতায় চলছে সিনেমাটির শেষ মুহূর্তের পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ। ঈদে মুক্তি নিয়ে নির্মাতা বলেন, “আমরা ঈদে মুক্তির লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছি। বেশ কয়েকটি হলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সেন্সর সার্টিফিকেট পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এই সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছর পর বড় পর্দায় একসঙ্গে ফিরছেন আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সবশেষ তারা জুটি বেঁধেছিলেন সাপলুডু সিনেমায়, যা মুক্তি পেয়েছিল ২০১৯ সালে।
এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তির তালিকায় আরও রয়েছে রকস্টার, রইদ, বনলতা সেন, তছনছ, অফিসার, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, মাসুদ রানা এবং নাকফুলের কাব্য।