ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত মাওলানা সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেছেন, হাল-জামানা আইয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানিয়েছে। জাহেলি যুগে কন্যা বাচ্চাদের জীবন্ত পুতে ফেলতো, এখন রামিসা, আছিয়ার মত শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। পার্থক্যটা এতটুকুই। দিন দিন নৃশংসতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের মানুষ এমতাবস্থা চরম আতঙ্কিত তাদের সন্তানদের নিয়ে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, গতকাল রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসার উপর যে নৃশংসতা হয়েছে, তা সভ্য সমাজকে ভাবিয়ে তুলছে। আছিয়াসহ সাম্প্রতিককালে ঘটিত সকল ধর্ষণ ও হত্যার সাথে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় রামিসার বাবা বিচার চাননি। একজন মানুষ কতটুকু নিরাশ হলে আপন সন্তানের হত্যার বিচার চাননি। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশে বিচার দৃষ্টান্ত নেই, এজন্য বিচার চাই না। রাজধানীর কদমতলী থানার মোহাম্মদবাগস্থ একটি মিলনায়তনে গতরাতে (বুধবার) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫৯ ওয়ার্ড শাখার তৃণমূল দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শাখা সভাপতি হাজী ছানাউল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মুফতি নাঈমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আকন, হাজী মুজিবুর রহমান, হাজী মাসুম আহমদ, মাওলানা ইব্রাহিম প্রমুখ।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, প্রচলিত আইনের অসাড়তা ক্রমেই ফুটে উঠছে এবং শরীয়াহ আইনের অনিবার্যতা ফুটে উঠছে। শিশু ধর্ষণ ও হত্যাসহ রামিসা ও আছিয়ার হত্যাকান্ডের বিচার শরীয়াহ আইনের আলোকে করতে হবে। তিনি বলেন, আজ রামিসা কাল আমার-আপনার মেয়েও এমন নৃশংসতার বলি হতে পারে। পশ্চিমাদের আইনে ধর্ষণ ও হত্যা রোধ করা সম্ভব নয়- এটা বারবার প্রমাণিত। তাই আসুন আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়া আইনের দিকে ধাবিত হই। শরীয়াই পারে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও শান্তি দিতে। তিনি সর্বক্ষেত্রে শরীয়াহর অনুসরণ করতে সরকারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শরীয়াহ আইনের অনুসরণ করলে দেশে কোন প্রকার অপরাধ থাকবে না।