বহুল আলোচিত মিতু হত্যা ও আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে দৌলতখান উপজেলায় দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মিয়ার হাট সংলগ্ন মিতুর বাবার বাড়ি কবিরাজ বাড়ির সামনে এলাকাবাসী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। মিতু হত্যার বিচার চাই। খুনি সোহাগের ফাঁসি চাই। এলাকার নারী-পুরুষের এমন স্লোগানে স্লোগানে মিতু হত্যার বিচার দাবি করা হয়। মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী দাবি করেন, ৪ জুন সুমাইয়া আক্তার মিতুকে তার স্বামী সোহাগ ও তার পরিবারের লোকজন মিলে হত্যা করে। পরিবারের লোকজন এ হত্যাকে আত্মহত্যার প্রচার প্রগান্ডা ছড়ায়। গত এক সপ্তাহে পুলিশ হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে গ্রেফতার করেনি। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। নিহত মিতুর বাবা বশির ও মা বিবি আয়েশা আমার দেশকে জানান, ৫ বছর আগে সোহাগের সাথে মিতুর বিবাহ হয়। সোহাগ ভোলা থাই গ্লাসের ব্যবসা করেন। উকিলপাড়া গোরস্থান মাদ্রাসার সামনে ছয় তলা ভবনের ৫ তলায় মিতুকে নিয়ে থাকতেন। বিবাহের পর থেকে সে মোটরসাইকেল ও মোটা অংকের টাকা দাবি করে আসছে। এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। মেয়ের ভবিষ্যতের দিক দেখে তাকে একটি মোটরসাইকেল, ৫ লাখ টাকা ও বাসার ফার্নিচার এবং আসবাবপত্র দেয়া হয়। এরপরেও দাবি করা টাকা না পেয়ে মিতুকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। ভোলা পুলিশ সুপার, মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার আমার দেশকে বলেন, আসামিরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে আমরা তদন্ত করছি।