চাটমোহরের বড়সিঙ্গা বিদ্যলয়ে শিক্ষার্থী ৬০ আর শিক্ষক ৬

এফএনএস (হেলালুর রহমান জুয়েল; চাটমোহর, পাবনা) : | প্রকাশ: ১৯ জুন, ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
চাটমোহরের বড়সিঙ্গা বিদ্যলয়ে শিক্ষার্থী ৬০ আর শিক্ষক ৬

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বড় সিঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার সড়কটির যেমন বেহাল দশা,তেমনি বিদ্যালয়ে বিরাজ করছে নানা সমস্যা। বাসা বেঁধেছে নানা অনিয়ম। চাটমোহর পৌর সদরের অদূরে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টির অবস্থান হলেও নেই াাশানুরুপ শিক্ষার্থী। তবে প্রযোজনের অতিরিক্ত শিক্ষক এখানে কর্মরত রয়েছেন।  এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা খাতা কলমে প্রায় ৮০ জন হলেও বাস্তবে ৫০ জনের বেশি নয়।  প্রধান শিক্ষক আঃ হামিদ ও তাঁর স্ত্রীসহ নিয়মিত শিক্ষক ৫জন। শিক্ষার্থী না থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখানে এজন শিক্ষিকাকে ডেপুটেশনে রাখা হয়েছে। তিনি অনেক দিন ধরে টেঙ্গরজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এখানে ডেপুটেশনে আছেন। নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে তাকে এখানে ডেপুটেশনে রাখা হয়েছে। টেঙ্গরজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই রয়েছে শিক্ষক সংকট। 

বড় সিঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিদিন কতজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে,তা জানেন না এলাকাবাসী। তবে প্রধান শিক্ষক দাবি করলেন,প্রতিদিন ৫০/৫৫ জন উপস্থিত থাকে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সরেজমিনে গিয়ে অবশ্য ২০/২২ জনের বেশি দেখা যাযনি। প্রধান শিক্ষকসহ ৫জন বসে আছেন অফিস কক্ষে। একজন শিক্ষক আছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ স্কুলে যে কয়েকজন শিক্ষক আছেন,তারা সময়মতো স্কুলে আসেন না,ছুটির আগেই চলে যান। স্কুলের একটি শহীদ মিনারের বেহাল অবস্থা। এই স্কুলে ক্লাস্টার মিটিং কখনো হয়না। কেন হয়না,তা অজ্ঞাত। প্রধান শিক্ষক স্বীকার করলেন,বিগত ৫ বছরে এখানে কোন মিটিং হয়নি। শিক্ষার্থী অনুপাতে এই স্কুলে কোন শিক্ষক ডেপুটেশনে আসার কথা নয়। অথচ নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একজনকে ডেপুটেশনে রাখা হয়েছে। 

প্রধান শিক্ষক আঃ হামিদ বললেন,এলাকার অভিভাবকরা উপজেলা সদরের স্কুলগুলোতে শিশুদের ভর্তি করান। সে কারণে শিক্ষার্থী কম। কোন অনিয়ম এখানে নেই। শিক।সকরা পাঠদানে কোন গাফলতি করেন না। ডেপুটেশনে কোন শিক্ষক দরকার নেই। এখানে বিগত ৫ বছরে ক্লাস্টার মিটিং হয়না,এটা সত্য। সেটা কর্তৃপক্ষের বিষয়। 

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল গণি বললেন,অভিযোগের বিষয়গুরৈা তদন্ত করনা হবে। ডেপুটেশনসহ অন্যান্য বিষয়ে দ্রুতই সিদ্থধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে