মণিরামপুরের

কোচবিলের কৃষক ও ঘের মালিকদের বিরোধের অবসান ঘটলো

এফএনএস (জি. এম ফারুক আলম; মণিরামপুর, যশোর) : | প্রকাশ: ৪ জুলাই, ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
কোচবিলের কৃষক ও ঘের মালিকদের বিরোধের অবসান ঘটলো

আলোচিত সেই কোচবিলের ঘের মালিক ও কৃষকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। অবশেষে উপজেলা প্রশাসন সরেজমিন গিয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে কৃষকদের দাবি মেনে নিয়ে ঘেরের ক্যানেল কাটার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষকরা আশা করছে এবার খাল ও ঘেরের ক্যানেল কাটার জন্য আমন ধানের চাষ করতে আর কোন সমস্যা হবে না।

সূত্রে জানাযায়, মণিরামপুর উপজেলার আলোচিত জয়পুর কোচবিলের ঘের মালিক ও কৃষকের মধ্যে দীর্ঘ দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। উপজেলা প্রশাসন কোন সিন্ধান্ত দিতে না পারাই দু’পক্ষ দীর্ঘদিন ঝুলন্ত অবস্থায় বিরাজ করছিলো। ঘের মালিক এনামূল ২২ এপ্রিল ২৬ ইং তারিখে ঘেরে মাছ চাষ করার মতো উপযোগী না থাকায় সংস্কার করার জন্য উপজেলা নিবার্হী অফিসার কাছে আবেদন করেন। নিবার্হী অফিসার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাছে দায়িত্ব দেন। পরে ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কে দায়িত্ব দেয়া হয়। 

তিনি জয়পুর কোচবিলে সরেজমিন এসে কৃষক ও ঘের মালিকদের ডেকে উভয় পক্ষের কথা শুনে কৃষকদের দাবি পূরণ পূর্বক ঘেরের চার পাশ দিয়ে ক্যানেল কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে কথা ঘের মালিকরা মেনে নেই। অনন্য দিকে খাল খনন ও ঘেরের ক্যানেল কাটার কারণে কৃষক মনে করছে এবছর আমন ধান চাষ করলে ভালো ফলন হবে। 

কৃষক কাদের গাজী ও রাজু জানায়, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি উপজেলা প্রশাসন সুন্দর একটি সমাধান করে দিয়েছে। আশা করছি এবছর আমন ধানের চাষ করতে আর সমস্যা হবে না। ঘের মালিক ইনামুল জানায়, আমি আইনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কৃষিকের জমির ফসলের কোন ক্ষতি না হয়। সে সব কিছু মেনে আমি ঘেরের চার পাশ দিয়ে ক্যানেল কাটছি। ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জনান, এসিল্যান্ড স্যার আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন আমি সে মোতাবেক সরেজমিন গিয়ে কৃষক ও ঘের মালিকদের ডেকে কৃষকদের দাবি ঘেরের চার পাশ দিয়ে ক্যানেল কাটলে কৃষি জমির কোন ক্ষয়ক্ষতি হবে না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে