বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৫ আগস্ট ঢাকার মিরপুর-২ এলাকায় ওভার ব্রিজের নিচে পুলিশের ছোড়া গুলিতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কলেজ ছাত্রী জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের তালখুর গ্রামের রিতা আক্তারের কবর জিয়ারত করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। শুক্রবার সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি জুলাইযোদ্ধা নিহত রিতা আক্তারের কবরস্থলে গিয়ে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। এ সময় কালাই উপজেলার বিএনপির আহবায়ক মো. ইব্রাহিম হোসেন মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক মওদুদ আলম সরকার, পৌর বিএনপির আহবায়ক সাজ্জাদুর রহমান তালুকদার সোহেল, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আলিম সরকার সহ নেতা-কর্মীরা তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারতের পর প্রতিমন্ত্রী নিহত রিতার বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবা-মার সাথে কথা বলে শান্তনা দেন এবং ধয্য ধারন করতে বলেন। তবে প্রতিমন্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নিহত রিতার বাবা-মাসহ পুরো গ্রামের লোকজন।
উল্লেখ, ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার মিরপুর-২ এলাকায় ওভার ব্রিজের নিচে পুলিশের ছোড়া গুলিতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় রিতা আক্তার নামে এক কলেজ ছাত্রী। তিনি মিরপুরের দুয়ারীপাড়া সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ী জয়পুরহাটের কালাইউ পজেলার পুনট ইউনিয়নের তালখুর গ্রামে। নিহত রিতার জন্ম হয়েছিল হত-দরিদ্র এক পরিবারে, রিতা ছিল মেধাবী। মেয়ের স্বপ্ন পূরুণ করতে ঢাকায় গিয়ে বাবা আশরাফ আলী চালাত রিক্সা আর মা রেহেনা বিবি করতো অন্যের বাসা-বাড়ীতে কাজ। রিতা লেখা-পড়া করে হতে চেয়েছিল চিকিৎসক। স্বপ্ন পূরুন তো দুরের কথা, লাশ হয়ে ফিরে এসেছে গ্রামের বাড়ীতে।