বড়দলে ৩৯ বছরের ভোগদখলীয় দোকান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) :
| আপডেট: ২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম | প্রকাশ: ২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
বড়দলে ৩৯ বছরের ভোগদখলীয় দোকান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ৩৯ বছরের ভোগদখলীয় ও পজেশন  ক্রয় করা দোকান ঘর নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হয়রানীমূলক মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। বড়দলের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে মৃত নেছার আলীর ছেলেদের দোকান নিয়ে এ ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান ফকিরের বিরুদ্ধে। 

জামালনগর গ্রামের মৃত নেছার আলী গাজীর ছেলে শফিকুল ইসলাম জানান, গোয়ালডাঙ্গা বাজারে পশ্চিম পাশে মিতালী ক্লাবের পূর্বে মৃত ফজর আলী গাজীর ছেলে ইসমাইল ও আঃ ছাত্তারের কাছ থেকে ১৯৮৯ সালে একটি দোকানের পজেশান ক্রয় করেন আমাদের পিতা নেছার আলী গাজী। সেখানে আমরা ব্যবসা করে আসছি। নেছার গাজী ১৯৯৮ সালে পজেশনটি আমাদের ৫ ভাইয়ের নামে লিখে দেন। দীর্ঘকাল দোকানে ব্যবসা করে ২০২২ সালে তারা দোকানটি ভাড়াটিয়া খাইরুল ইসলামের কাছে ভাড়া চুক্তিতে ডিড দেই। ২০২৫ সালে আমরা দোকানটি ফেরৎ নিয়ে নিজেরা ব্যবসা করে আসছি। তাছাড়া পাউবো'র কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে রাজস্ব পরিশোধ করেছি। এলএ কেস নং ১৪৯/৬৭-৬৮।  শফিকুল অভিযোগ করে বলেন, খেড়ুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত নূরালী ফকিরের ছেলে মিজানুর আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই অংশ হিসাবে গত ২০ আগষ্ট মিজানুর দলবল নিয়ে দোকানের সামনে এসে গালিগালাজ করতে থাকে এবং খুন জখমের হুমকী দেয়। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি। তারা আমাদের নামে মিথ্যে অভিযোগ এনে মামলাও করেছে বলে তিনি দাবী করেন। গোয়ালডাঙ্গা বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ মহিউদ্দীন ও সেক্রেটারী আরিফুল ইসলাম বকুল লিখিত ভাবে "উক্ত দোকান ১৯৮৯ সাল থেকে নেছার উদ্দীন ও তার ৫ পুত্র পজেশন নিয়ে ভোগদখল করে আসছেন" বলে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন।  বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন দোকান তাদের দখলে আছে মর্মে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে