স্কুলছাত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন

দৌলতপুরে চিকিৎসক-নার্স ছাড়াই চিকিৎসার অভিযোগ

এফএনএস (মোঃ সাইফুল ইসলাম শাহিন; দৌলতপুর, কুষ্টিয়া) : | প্রকাশ: ১১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
দৌলতপুরে চিকিৎসক-নার্স ছাড়াই চিকিৎসার অভিযোগ

এফএনএস (মোঃ সাইফুল ইসলাম শাহিন; দৌলতপুর, কুষ্টিয়া) : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর  উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে এমবিবিএস চিকিৎসক, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও প্রশিক্ষিত নার্স ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  ওই হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে পাকুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তার অ্যাপেন্ডিসাইটিস ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করা হয়। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী জান্নাত আরা খাতুন দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামের আরিফুল ইসলাম ও সুক্তারা খাতুন দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান।

পরিবারের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই পেটব্যথা নিয়ে জান্নাত আরাকে মহিষকুন্ডি এলাকার তানিম প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তার পেটে পাথর রয়েছে এবং কয়েকদিন ওষুধ সেবন করলেই সে সুস্থ হয়ে যাবে। এরপর কয়েকদিন ওই হাসপাতালেই তার চিকিৎসা চলতে থাকে। তবে অবস্থার উন্নতি না হয়ে একপর্যায়ে আরও অবনতি ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যরা জান্নাত আরাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা অ্যাপেন্ডিসাইটিস শনাক্ত করেন। 

পরিবারের দাবি, চিকিৎসা নিতে দেরি হওয়ায় অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যায়। পরে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হলেও এখনো পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয় জান্নাত আরা। জান্নাতের মা সুক্তারা খাতুন বলেন, মেয়েকে পেটব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল পেটে পাথর হয়েছে। কিন্তু পরে কুষ্টিয়া হাসপাতালে নেওয়ার পর জানতে পারি অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে। মেয়ের অবস্থা এখনো ভালো নয়। তবে এই ঘটনাই শিশুটির বাবা দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তবে রোগীর স্বজনদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তানিম প্রাইভেট হাসপাতালের পরিচালক তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন রোগীকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়। ভুল চিকিৎসার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে