চকরিয়ায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদন
| আপডেট: ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম | প্রকাশ: ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
চকরিয়ায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চকরিয়ার খুটাখালী সেগুনবাগিচা এলাকার মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার মো. শাহেদ (২৭), খুটাখালীর মো. জিয়াবুল হক (২৫) এবং ঈদগাঁওয়ের মোহাম্মদ রফিক (২৮)।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জামান জানান, নোয়াখালী সদর থেকে কক্সবাজারগামী লাল-সবুজ পরিবহনের একটি এসি বাস খুটাখালীর নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা চকরিয়াগামী একটি নম্বরবিহীন লেগুনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পর লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এর ছাদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে লেগুনায় থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল এবং মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান। শাহেদ, রফিক ও জিয়াবুল হক মারা যান কক্সবাজার সদর হাসপাতালে।

আহতদের মধ্যে ঈদগাঁওয়ের নাপিতখালী এলাকার সরোয়ার (১৯), তাঁর বাবা সৈয়দ আলম (৫০), খুটাখালীর নতুন অফিস এলাকার জিয়াবুল হক (৪০), মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের কিরনতলী এলাকার সৈয়দ করিম (৩০) রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সরোয়ার, সৈয়দ আলম, জিয়াবুল হক ও দেলোয়ার হোসেন মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে এবং সৈয়দ করিম কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনা জব্দ করা হয়েছে।

এসআই শামসুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাসটির চালক ও হেলপারের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে