বাজিতপুরের মাইজচর ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
বাজিতপুরের মাইজচর ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্মকর্তা (সচিব) মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা,জনগণের সেবা প্রধানে গাফিলতি ও দূর্নীতির অভিযোগে এলাকাবাসীর পক্ষে জামাল উদ্দিন নামের এক ব্যাক্তি বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, গত ১০ আগষ্ট। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ আছে জন্ম, মৃত্যুনিবন্ধন এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রধানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সরকারি ফি আদায় করছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ ছাড়া তিনি আরো উল্লেখ করেন , প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার নিজের লোকজনদের দিয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করে এসব দূর্নীতি চালাচ্ছেন। এছাড়াও ইউনিয়নের সার্বিক স্বার্থ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জনগণের সেবা প্রধান নিশ্চিত করছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনিয়নের অর্পিত দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত অবহেলা প্রদর্শন আসছেন দীর্ঘদিন ধরে, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জনসাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে। আজ বৃহস্পতিবার ১৩ আগষ্ট সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এ খবর শুনে এলাকাবাসীগণ বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আলমগীর হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস না করে উপজেলার সমবায় অফিসের দায়িত্বরত প্রশাসকের অফিসে ইউনিয়নের পরিষদের কাজ করেন বলে তাদের অভিযোগ। এ বিষয়ে জানতে চাইতে চাইলে মাইজচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসেন বলেন, আমি সপ্তাহে তিনদিন ইউনিয়ন পরিষদে বসি। তিনি আরো বলেন দুইদিন প্রশাসকের অনুমতিক্রমে সমবায় অফিসে বসে কাজকর্ম করি। এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার ও মাইজচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেননা। তিনি আরো বলেন এ অভিযোগের বিষয়ে আগে জানতামনা এখন যেহেতু জেনেছি, আমি এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেব। বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিনকে তার অফিসে পাওয়া যায়নি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে