নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নে সাপের কামড়ে ১০ বছর বয়সী শিশু লুনার মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শুধু পরিবার নয়, আশপাশের অন্তত দশ গ্রামের মানুষও গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন। প্রিয় শিশুটিকে শেষবারের মতো দেখতে এসে হাজারো মানুষ অঝোরে চোখের পানি ফেলেছেন।
স্থানীয়রা জানান, শিশু লুনা সাপের কামড়ের শিকার হওয়ার পর তাকে বাঁচাতে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অল্প বয়সে মর্মান্তিক এই মৃত্যু এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। লুনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বাহাগিলি ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ তার বাড়িতে ছুটে আসেন। শিশু লুনাকে ঘিরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। তাকে একনজর দেখতে আসা অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, লুনা ছিল সবার পরিচিত ও আদরের শিশু। তার এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। একটি সাপের কামড় কীভাবে একটি পরিবারের সব আনন্দ মুহূর্তেই কেড়ে নিতে পারে লুনার মৃত্যু সেই নির্মম বাস্তবতাই আবারও সামনে এনেছে। এলাকাবাসী বলেন, গ্রামাঞ্চলে সাপের উপদ্রব ও সাপে কাটার ঘটনা নতুন নয়। তবে দ্রুত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় প্রতিষেধকের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে। সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং যথাসময়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
লুনার মৃত্যুতে বাহাগিলি ইউনিয়নের দশ গ্রামের মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্বজনদের পাশাপাশি এলাকাবাসীও শিশুটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।