সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময়সীমার কথা জানান।
পে-কমিশনের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে অনেকগুলো দিক রয়েছে। সবগুলো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। ওই দিনের বৈঠকে এ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। তবে আরও আলোচনা প্রয়োজন হওয়ায় পরে আবার বৈঠক করা হবে।
সাংবাদিকেরা নবম পে-স্কেল এ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে কি না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বছরের মধ্যে হবে, অবশ্যই হবে। এ বছরের মধ্যেই হবে, সবই হবে।”
তবে শুধু একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, পে-স্কেলের সঙ্গে আরও কিছু বিষয় যুক্ত রয়েছে। সব দিক নিয়ে আলোচনা শেষে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং তখন তা জানানো হবে।
জুডিশিয়াল সার্ভিসের বিষয়ে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মূল বিষয় পে-কমিশন হলেও এর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় রয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংক্ষেপে বলেন, “একটু একটু।”
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বাজেটের ওপর প্রভাব, মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি এবং সরকারি ব্যয়ের ভারসাম্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বৈঠকে পে-কমিশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় আরও আলোচনা শেষে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।