জনপ্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। একই সঙ্গে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, এ খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার মতো অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও কথা বলেন নজরুল ইসলাম খান। বিদেশে অবস্থানরত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতেও কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে বলে জানান তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ‘শাপলা’য় আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।
জনপ্রশাসন সংস্কার প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য কমিশন করতে চায়। তবে কমিশনকে সহায়তা করবে এমন জায়গাগুলোতে থাকা সমস্যাগুলো আগে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এ কারণে কিছুটা সময় লাগছে। শিগগিরই কমিশন গঠন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহও জানান, নির্বাচনি ইশতেহারে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে আসেনি। বরং সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।
তিনি বলেন, আগের সরকারের অনুগত কিছু ব্যক্তি এখনো প্রশাসনে রয়েছেন। তাদের চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট জায়গা থেকে সরিয়ে প্রশাসনকে পরিষ্কার করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে প্রশাসনে দীর্ঘদিনের দলীয়করণ থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে।
ইসমাইল জবিহউল্লাহ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জনপ্রশাসন সংস্কার নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। সেটিও পর্যালোচনা করা হয়েছে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে।
জ্বালানি সংকটে সরকার দুঃখিত
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের চলমান জ্বালানি ও গ্যাস সংকট নিয়েও কথা বলেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং এ জন্য সরকার দুঃখিত। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে স্বাভাবিক আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। চুক্তি থাকলেও কিছু দেশ এখন রপ্তানিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে পণ্য আমদানি করা হলেও জাহাজে করে সেগুলো দেশে আসতে সময় লাগছে।
তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার মতো অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এটি বড় অঙ্কের অর্থ হলেও জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এই ব্যয় করছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার অনেকটা অপ্রস্তুত অবস্থায় এই সংকটের মধ্যে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, “কে জানত, যুদ্ধটা এভাবে শুরু হবে? কে জানত, এর প্রভাবে আমাদের আমদানি প্রক্রিয়া এভাবে ব্যাহত হবে?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করছি, ইনশাল্লাহ আমরা সফল হবো। কারণ, আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চেষ্টারও কোনো ত্রুটি নেই।”
তবে জ্বালানি সংকটের জন্য শুধু আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেননি তিনি। তাঁর মতে, দেশে বহু বছর ধরে গ্যাস অনুসন্ধান ও আহরণের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) এর মাধ্যমে আগে গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান ও আহরণ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটিকে গত ১৫ বছরে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের সমাধান দ্রুত করা সম্ভব নয়। গ্যাস বা পেট্রোল উত্তোলনের আগে অনুসন্ধান করতে হয়। এরপর উত্তোলিত জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণের ব্যবস্থাও করতে হয়।
সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা হচ্ছে, যাতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেওয়া যায়।
বেনজীরকে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সরকারের তৎপরতার কথা জানান নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার চেষ্টা করছে।
সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদকে ২০২৬ সালের ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। ইন্টারপোলের রেড নোটিসের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৪ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি জানানো হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি যাতে কোনো ধরনের সুবিধা না পান, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তাঁর ভাষায়, বিদেশে অবস্থানরত একজন আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে আইনগত ও কূটনৈতিকভাবে যতটুকু করা সম্ভব, তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জুলাই সনদ নিয়ে ‘দ্বন্দ্বের কিছু নেই’
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও কথা বলেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সনদে রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে একমত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের বিষয়টি দলিলেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত থাকলে তা নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরে ম্যান্ডেট নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের দলিলে দেশের উল্লেখযোগ্য প্রায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেছেন। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে তারা ওই দলিলে স্বাক্ষর করেন।
তিনি বলেন, “যারা এই ডকুমেন্টে সিগনেচার করেছেন, সেই ডকুমেন্টের একদম প্রথমেই বলা আছে, কেন এই জুলাই জাতীয় সনদ, সংবিধান সংশোধনের কথা কেন বলা হয়েছে, সংস্কারের লক্ষ্যে। এখন আমরা দেখছি সংশোধন শব্দটা অনেকের কাছে অপছন্দ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই কথাতেই তো সবাই স্বাক্ষর করেছেন।”
কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর দেওয়ার কথা সনদে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, “যারাই যে বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তারা যদি সেটা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করে জনগণের ম্যান্ডেটের জন্য পেশ করে এবং জনগণের ম্যান্ডেট পায়, তাহলে তারা সেই অনুযায়ী বাস্তবায়ন করবে। এটা সকলের স্বাক্ষরিত দলিলে আছে।”
তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে তাদের অবস্থান থেকে সরে যায়নি। সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি সংসদে এলে সেখানে আলোচনা করার সুযোগ থাকবে। ভালো কোনো মতামত পাওয়া গেলে তা গ্রহণের সুযোগও থাকবে।
“গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। সংসদে হোক কিংবা সংসদের বাইরে, আলোচনা করেই মতপার্থক্য দূর করতে হবে”, বলেন তিনি।
জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ না বাড়িয়ে সংশ্লিষ্ট দলিলগুলো ভালোভাবে পর্যালোচনার আহ্বানও জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, “আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা সমস্ত ডকুমেন্ট একটু দেখেন। মনে করেন আমরা দোষ করেছি, বলেন। আমরা চেষ্টা করব।”
গণমাধ্যম কমিশনের কাজও এগোচ্ছে
স্থায়ী গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমের অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠকের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। ওই গ্রুপ জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া তৈরি করবে। এরপর তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব না থাকার যে ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের অংশীজনদের আগ্রহ এবং সরকারের প্রতিশ্রুতির মধ্যে কোনো অমিল নেই।
ছয় মাসের কাজ নিয়ে নজরুলের মূল্যায়ন
সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই সময়ে বড় সমস্যাগুলোর সমাধানে যতটুকু সম্ভব কাজ করা হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় হয়তো তা যথেষ্ট নয়, তবে একেবারে কমও নয়।
সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। কেউ কেউ সরকারের বিরোধিতা করলেও সেটিকেও সরকার সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেখতে চায় বলে জানান তিনি।
সরকারি বিভিন্ন সংস্থায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই এ ধরনের নিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগ্যতা রয়েছে কি না, সেটি খেয়াল রাখতে হবে।
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম ও সাফল্যের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এসএম আব্দুল আউয়াল, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খান, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, প্রধানমন্ত্রীর স্ক্রিপ্ট রাইটার মাহফুজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার ও আশরোফা ইমদাদ উপস্থিত ছিলেন।