দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-সুনামগঞ্জের আয়োজনে ‘ইঁরষফরহম ণড়ঁঃয খবধফবৎংযরঢ় ড়হ চষঁৎধষরংস ধহফ ঝড়পরধষ ঐধৎসড়হু’ প্রকল্পের আওতায় তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে সক্রিয় নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, বাংলাদেশের সফলতা ও দারিদ্র্যের চিত্র, উন্নয়নের ধারা, সমবেত প্রত্যাশা, সক্রিয় নাগরিক হওয়ার নীতিমালা, অ্যাডভোকেসি এবং সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয় প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করা হয়।
তিনদিনের কর্মশালায় ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের মুহিন আফসারী, নাজমুল হুদা মিনা, কুদরত পাশা, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের সিলেট রিজিওনাল সাবেক কো-অর্ডিনেটর বর্ণা এবং সুনামগঞ্জ জেলা কো-অর্ডিনেটর আলী ইমরান। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী।
তিনি বলেন, “দি হাঙ্গার প্রজেক্ট একটি স্বেচ্ছাব্রতী সংগঠন। আমরা এখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করি। আজ যারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলে, তাতে আমরা আরও সমৃদ্ধ হলাম। আমি মনে করি, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ। তোমাদের নেতৃত্বেই আমরা ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই।” প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ইউনিট কমিটি গঠন করা হয়। প্রথম ইউনিটে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উম্মে ফাব্বিহা জামান ইলন, যুগ্ম কো-অর্ডিনেটর মোস্তাকিম খান রোহান ও লামিসা, কর্মশালা সম্পাদক ইসরাত, দপ্তর সম্পাদক তাকান্না ইসলাম মাহা, অর্থ সম্পাদক রামিসা এবং প্রচার, প্রকাশনা ও পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে অনিক দাস দায়িত্ব পান। অন্য ইউনিটে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে আবিদা আক্তার আখিঁ, যুগ্ম কো-অর্ডিনেটর রুবাইয়া শাহরিন নাভা ও মোহাম্মদ তাহসিন আহমেদ, কর্মশালা সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী উন্নয়ন সম্পাদক সাফিয়া আক্তার কুসুম, প্রতিযোগিতা সম্পাদক সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক রিজবী আক্তার, অর্থ সম্পাদক তানজিদা আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শান্ত দাস, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক অর্পিতা তালুকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক তন্দ্রা রায় জয়া এবং বিশেষ দিবস পালন সম্পাদক মাহমুদা আক্তার সাদিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া আয়েশা ও হাফসাসহ অন্যদের কার্যকরী সদস্য করা হয়েছে। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেই এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।