একটি কুচক্র মহল হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যর্থ হওয়ায় শিক্ষা সনদ নিয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার এর বিরুদ্ধে ৩ সেপ্টেম্বর শ্যামপুর প্রেসক্লাব চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অধ্যক্ষ কাজল মাহমুদ। লিখিত বক্তব্য তিনি উল্লেখ করে বলেন তিনি শ্যামপুর ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর কতিপয় শিক্ষক স্বীয় স্বার্থ পূর্বের নেয় চারিতার্থ করতে না পেরে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের সহায়তায় আমাকে হেনস্তা ও হেয় প্রতিপন্ন করার মানুষের শিক্ষা জীবনের সনদপত্র নিয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার একটি স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন তা অধ্যক্ষ কাজল মাহমুদ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
তিনি দাবী করে বলেন পারিবারিক কারণে ছোটবেলায় পড়াশুনার উদ্দেশ্যে বাহিরে চলে যান।তার এক দুঃসম্পর্কের চাচার সহযোগিতায় পটুয়াখালীতে লজিং থেকে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে এসএসসি ও ১৯৯১ সালে এইচ এস সি পাস করেন। ১৯৯১ --৯২ শিক্ষা সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি অনার্স ভর্তি হয়ে সালে অনার্স পাশ করেন এবং ১৯৯৬ সালেও এম এ পাস করেন। ১৯৯৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সুন্দরগঞ্জ,গাইবান্ধা এর মহিলা কলেজের প্রভাষক ইংরেজি, এবং পরে ২০১৪ থেকে ২০২৩ ইং সাল পর্যন্ত কাউনিয়া মহিলা কলেজের উপাধাক্ষ্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যক্ষ হিসাবে ২০২৩ সাল হতে শ্যামপুর ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করেন যোগদানের পর একটি মহল কলেজের ভর্তি ফরম ফিলাপ পরীক্ষার ফি, মার্কেটের দোকান ভাড়া, জমি, আম বাগান ও পুকুর থেকে যাবতীয় আয় একটি মহল ভোগ করে আসছিল। তিনি স্বচ্ছতার অনলাইন ব্যাংকিং চালু করায় গোষ্ঠীর আঘাত লাগায় জুলাই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তোরে মুখে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। এরপর সারাদেশে জোরপূর্বক পদত্যাগের শিক্ষকদের মতো তিনিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন করলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিকে পুনরায় চাকরিতে যোগদান ও ই এফ টি তে বেতন ভাতা চালু করার নির্দেশিত পত্র মোতাবেক ১৮ মাস পরে ২০২৫ সালে পুনরায় অধ্যক্ষ পথে যোগদান করেন। স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পুনরায় তাকে কলেজ থেকে বিতাড়িত করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এক শত্রু আফসান মাহমুদ নামের নামধারী সাথে হাত মিলিয়ে শিক্ষা সনদ জালিয়াতি বলে ইলেকট্রিক মিডিয়া, ইউটিউব সহ ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপ প্রচার চালায় যা সামাজিক ও কর্মস্থলে মান হানি সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে নানা ভাবে নানা ভাবে নাজেহাল হচ্ছেন বলে জানান। অধ্যক্ষ কাজল মাহমুদ আরো উল্লেখ করে বলেন, সনদপত্র জালিয়াতির বিভ্রান্তিকর অভিযোগ এনে নামধারী রাফসান মাহমুদ ইতিপূর্বে স্বার্থান্বেষী মহলটি জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে সার্টিফিকেট বৈধ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আমি নির্দোষ প্রমাণিত হই। তিনি বলেন আমার সার্টিফিকেট আমার অন্য কারো কি করে হতে পারে, মনগড়া হাস্যকর অভিযোগ আমার মান সম্মান চরম বিপর্যয় পৌঁছে গেছে। ২৬ বছরের চাকরি জীবনে তিনটি মিনিস্ট্রি অডিট সম্পূর্ণ হয়েছে। সেখানে বিন্দু পরিমাণ কোন অনিয়মের ছোয়া লাগে নি। তিনি আরো বলেন কাউনিয়া মহিলা কলেজে উপাধাক্ষ পদে নিয়োগের সময় নির্বাচনী বোর্ডে তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ও বেগম রোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি শওকত আলী শ্যামপুর কলেজের দক্ষ পদে নিয়োগ ও নির্বাচনী বোর্ডে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডক্টর সাব্বির সাত্তারউপস্থিত থেকে নিয়োগ বিধির পরীক্ষা-নিরীক্ষা সাপেক্ষে আমি নিয়োগ প্রাপ্ত হই।এছাড়া উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগে রংপুর জজ আদালতে মামলা জনিত কারণে সার্টিফিকেট সমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় কোন প্রকার ত্রুটি বা আপত্তি ধরা পড়েনি বলে তিনি জানান। অথচ আফসান মাহমুূদ নামের ওই ব্যক্তি তার সনদ সমূহ নিজের বলে প্রচার চালানো তার সাথে ব্যক্তিগত আক্রোশবশত। কাজল মাহমুদ প্রকাশিত চ্যানেলের খবরের অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন এসএসসি ও এসএসসি সনদে বাবার নামের সামান্য ব্যবধান থাকায় সংশোধন করতে হবে এর সাথে মিল নেই তিনি কোন কারণে নিজের নাম ও বাবার নাম পরিবর্তনের কথা বলেছেন যাহা মিথ্যার একটি বেড়াজাল। তিনি কর্তৃপক্ষের বিষয়টি বিবেচনান্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দাবি জানিয়েন।