বিএনপি নেতার উদ্যোগে

চন্দনা নদীর কচুরিপানা অপসারণ, স্বস্তিতে জনগণ

এফএনএস (জাকির হোসেন; বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ি) : | প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
চন্দনা নদীর কচুরিপানা অপসারণ, স্বস্তিতে জনগণ

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনা নদীর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা অপসারণের কাজ অবশেষে শুরু করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ১০ জন শ্রমিক নিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে কচুরিপানা অপসারণের কাজে নামেন বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ আহমেদ আশিক। ফরিদ আহমেদ আশিক বহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে দৈনিক সমকাল ও বার্তা২৪.কমের প্রতিনিধি  সাংবাদিক সোহেল মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে চন্দনা নদীর ব্রিজ এলাকায় কচুরিপানার জট নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে এবং কচুরিপানা অপসারণের দাবি জোরালো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল থেকে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। শ্রমিকরা ব্রিজের নিচ ও আশপাশের এলাকা থেকে কচুরিপানা সরিয়ে নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা জমে থাকায় নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছিল নানা ধরনের ভোগান্তি। এখন কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

তারা আরো বলেন, এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নিজ উদ্যোগে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করায় আমরা তাকে সাধুবাদ জানাই।

জানা গেছে, এর আগেও আশিক তার নিজ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সেবামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।

জনস্বার্থে চন্দনা নদীর কচুরিপানা অপসারণের এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা।

ফরিদ আহমেদ আশিক  জানান, সাংবাদিক সোহেল মিয়ার একটি ভিডিও আমার নজরে আসে। ভিডিওটি নজরে আসার পর আমি স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। কিন্তু তাতে কোন সমাধান হয়নি।এদিকে কচুরিপানা জমে থাকায় চরম দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।এতে করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাজার ব্যবসায়ীরা চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ছিল। সবকিছু মিলিয়ে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম কাজটি নিজ উদ্যোগে করবো।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে