বন্ধ্যাত্বের আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এফএনএস (প্রতিবেদক): | প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
বন্ধ্যাত্বের আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশে বন্ধ্যাত্বের আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

আগামী বাজেটে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান নিতে না পারলে অনেক সময় সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হন। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।"

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার জন্য রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়।

বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশেই সম্ভব—এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারীদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে। তিনি বলেন, "শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য।"

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতা পেলে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে