নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক নারীর বাসা দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। দখল করতে না পেরে ভাঙচুর ও মারধর করা হয়েছে বাসার মালিককে। পরে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত বাসার মালিক সাবিনা ইয়াসমিন সৈয়দপুর ১০০ শয্যা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াসমিনের অভিযোগ, গত ৫ অক্টোবর দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা থেকে রাত ২টার মধ্যে কয়া গোলাহাট নতুন ক্যাম্প এলাকার তার বাসায় প্রতিবেশী কয়েকজন যুবক জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। এ সময় তারা ঘরের আসবাবপত্র ও বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করেন।
সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তাদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার কানের সোনার দুল, দুইটি আংটি, গলার চেইন ও মাথার টিকলি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন। এসব স্বর্ণালংকারের মোট ওজন প্রায় দেড় ভরি এবং বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘরে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকাও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী আরও জানান, তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম, ছোট বোন রেশমা (২২) ও পরিবারের অন্য সদস্যরা ওই বাসায় বসবাস করেন। তার ছোট বোন মানসিকভাবে অসুস্থ। সম্প্রতি কয়েকজন যুবক তাদের বাসাটি দখল করে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, হামলার ঘটনায় তিনি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সুস্থ হয়ে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।